Narendra Modi | ইরানি প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কথা মোদির, নাগরিকদের নিরাপত্তা ও জ্বালানি সরবরাহ সুনিশ্চিত করার ডাক

Narendra Modi | ইরানি প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কথা মোদির, নাগরিকদের নিরাপত্তা ও জ্বালানি সরবরাহ সুনিশ্চিত করার ডাক

ভিডিও/VIDEO
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: পশ্চিম এশিয়ায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল এবং ইরানের মধ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তজনা ও সামরিক সংঘাতের আবহে বড়সড় কূটনৈতিক পদক্ষেপ নিল ভারত। বৃহস্পতিবার রাতে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান-এর (Masoud Pezeshkian) সঙ্গে টেলিফোনে দীর্ঘ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কথোপকথনে এই অঞ্চলে নিরীহ মানুষের প্রাণহানি এবং পরিকাঠামোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তিনি।

শান্তি ও আলোচনার আহ্বান
প্রধানমন্ত্রী মোদি এই যুদ্ধের পরিস্থিতিতে ভারত তথা বিশ্বের উদ্বেগের কথা ইরানি প্রেসিডেন্টকে জানান। পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ‘X’-এ একটি পোস্টের মাধ্যমে তিনি বলেন: “ইরানি প্রেসিডেন্ট ডঃ মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে অঞ্চলের গুরুতর পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। ক্রমাগত উত্তেজনা বৃদ্ধি, সাধারণ মানুষের মৃত্যু এবং অসামরিক পরিকাঠামোর ক্ষতির বিষয়ে আমি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছি।”

প্রধানমন্ত্রী আরও স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, ভারত সবসময় শান্তি ও স্থিতিশীলতার পক্ষে। এই সংকট নিরসনে সব পক্ষকে কূটনীতি ও আলোচনার পথে ফেরার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

ভারতের অগ্রাধিকার: ৯,০০০ নাগরিক ও জ্বালানি নিরাপত্তা
যুদ্ধের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে সেখানে থাকা ভারতীয়দের নিরাপত্তা। বর্তমানে ইরানে প্রায় ৯,০০০ ভারতীয় নাগরিক রয়েছেন, যাদের মধ্যে বড় একটি অংশই ছাত্র, নাবিক ও তীর্থযাত্রী। মোদি সাফ জানিয়েছেন, ভারতীয়দের নিরাপত্তা এবং পণ্য ও জ্বালানির নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ বজায় রাখাই তার সরকারের প্রধান লক্ষ্য।
পররাষ্ট্র মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানিয়েছেন:
• ভারতীয় নাগরিকদের ফিরিয়ে আনার কাজ শুরু হয়েছে।
• পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডঃ এস জয়শঙ্কর গত কয়েকদিনে ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির সঙ্গে তিনবার কথা বলেছেন।
• হরমুজ প্রণালীতে (Strait of Hormuz) বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা চলছে যাতে ভারতের শক্তি নিরাপত্তা (Vitality Safety) বিঘ্নিত না হয়।

প্রেক্ষাপট: খামেনেইর মৃত্যু ও ঘনীভূত যুদ্ধমেঘ
উল্লেখ্য, সম্প্রতি তেহরানে এক লক্ষ্যভেদী হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনেই-এর মৃত্যুর পর পরিস্থিতি আরও অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠেছে। এই ঘটনার দায় আমেরিকা ও ইসরায়েলের ওপর চাপিয়েছে ইরান। ফলে পশ্চিম এশিয়ায় এক দীর্ঘস্থায়ী এবং বৃহত্তর যুদ্ধের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে, যা ভারতের মতো দেশগুলোর বাণিজ্য ও জ্বালানি আমদানিতে সরাসরি প্রভাব ফেলতে পারে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *