Nakshalbari | নকশালবাড়িতে সিএএ-র ফর্ম বিলি করছে বিজেপি, অভিযোগ তৃণমূলের

Nakshalbari | নকশালবাড়িতে সিএএ-র ফর্ম বিলি করছে বিজেপি, অভিযোগ তৃণমূলের

ব্লগ/BLOG
Spread the love


নকশালবাড়ি : এসআইআর (বিশেষ নিবিড় সংশোধনী)-এর ফর্ম বিলির আগেই নকশালবাড়িতে নাগরিকত্ব দেওয়ার (সিএএ) ফর্ম বিলি করছে বিজেপি, এমনই অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। বিষয়টি নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে। যদিও বিজেপি বলছে, অভিযোগ পুরোপুরি ভিত্তিহীন।

নকশালবাড়ির বেঙ্গাইজোত, ঢাকনাজোত, লালিজোত, ফুটানি মোড় এলাকায় রাস্তার দু’ধারে গজিয়ে উঠেছে নতুন নতুন বসতি। সবুজ ধানখেতের মাঝখানে গড়ে উঠেছে টিনের নতুন নতুন বাড়িঘর। স্থানীয় সূত্রের খবর, দশ বছরে ওই সমস্ত এলাকায় সাতশোর বেশি পরিবার বাইরে থেকে এসে ঘর বেঁধেছে। মেঘালয়, মণিপুর, অসম তো বটেই অনেকে নেপাল, ভুটান, বাংলাদেশ থেকেও এসেছেন।

এদিকে, মঙ্গলবার থেকে শুরু হয়েছে এসআইআরের ফর্ম বিলি। স্বাভাবিকভাবেই বাইরে থেকে আসা লোকজনের এখানকার ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম নেই। যা নিয়ে তাঁরা উদ্বেগে। ঘাসফুল শিবিরের অভিযোগ, এমন পরিস্থিতিতে এদিন এলাকায় সিএএ-র ফর্ম বিলি করেছেন বিজেপির এজেন্টরা। বেঙ্গাইজোতের বাসিন্দা তথা তৃণমূল কংগ্রেসের মণিরাম অঞ্চলের সভাপতি ভানু বর্মনের বক্তব্য, ‘ঢাকনাজোত, বেঙ্গাইজোত এলাকায় প্রথম ধাপে বিএলও-রা তিনশোটি ফর্ম বিলি করেছেন। কোনও বৈধ ভোটারের নাম যাতে তালিকা থেকে বাদ না যায় সেজন্য আমাদের এজেন্টরা বাড়ি বাড়ি ঘুরছেন। কিন্তু বেশ কিছু পরিবারে আগে থেকে বিজেপির কর্মীরা নাগরিকত্ব দেওয়ার ফর্ম বিলি করেছেন। এনিয়ে আমরা দলের শীর্ষ নেতৃত্বকে সমস্ত রিপোর্ট দিয়েছি।’

ঢাকনাজোতের বাসিন্দা তথা বিজেপির শিলিগুড়ি সাংগঠনিক জেলা সম্পাদক মংলু রায় বলছেন, ‘এদিন প্রতিটি এলাকা ঘুরে ঘুরে আমরা বিএলও-দের সঙ্গে ফর্ম বিলি করেছি। কোথাও কোনও সমস্যা হয়নি। তৃণমূল কংগ্রেস যে অভিযোগ তুলেছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা।’ তাঁর সংযোজন, ‘এসআইআর এবং সিএএ সম্পূর্ণ আলাদা। নাগরিকত্বের জন্য যে কেউ অনলাইনে আবেদন জানাতে পারবেন। অনেকের শুনানি হয়ে গিয়েছে। তাঁরা নাগরিকত্বও পাবেন। ফর্ম বিলির কোনও প্রশ্নই আসে না।’

এদিকে, এসআইআর শুরু হতেই পুরোনো নথির খোঁজ বেড়েছে। মণিরাম গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান গৌতম ঘোষ বলেন, ‘অনেকেই গ্রাম পঞ্চায়েত কার্যালয়ে ভিড় জমাচ্ছেন। বিভিন্ন নথিপত্র খুঁজছেন। আমরা এজন্য হেল্প ডেস্ক খুলেছি। ২০০২ সালের ভোটার তালিকার তথ্য যাঁদের প্রয়োজন, সেটা তাঁদের দেওয়া হচ্ছে।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *