নাগরাকাটা: দীপাবলির পরই শুরু হয়ে গিয়েছে আদিবাসীদের ধৌসি পরব। আত্মীয় পরিজনরা সবাই মিলে ধৌসির আনন্দে শামিল হতে চলেছেন। যে কারণে এখন চ্যাংমারি চা বাগানের আপার ডিভিশনের আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষদের মধ্যে অনেকে পাড়ি দিচ্ছেন ভুটানে। এর মাধ্যমে দু দেশের সাংস্কৃতিক মেলবন্ধন আরো মজবুত হচ্ছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। চ্যাংমারি চা বাগানের আপার ডিভিশনের ওপারেই ভুটান। সশস্ত্র সীমা বল ও ভুটান পুলিশের অনুমতি নিয়েই আপার চ্যাংমারির বাসিন্দারা সেখানে যাচ্ছেন। দিনভর ধৌসিতে সামিল হওয়ার পর বিকেলে ফিরে আসছেন নিজেদের মহল্লায়। শংকর ছেত্রী নামে স্থানীয় এক বাসিন্দা জানান, ধৌসি শুধু আন্তর্জাতিকই হয়ে ওঠেনি। নানা ভাষা ও নানা সংস্কৃতির আদানপ্রদানও এর ফলে নীরবে ঘটে যাচ্ছে। আপার চ্যাংমারির আদিবাসীরা মাদল, নাগরা নিয়ে শুধু যে ভুটানেই যাচ্ছেন তা নয়। নিজেদের এলাকার প্রতিটি বাড়িতে গিয়েও ধৌসিতে সামিল হচ্ছেন। এজন্য যে যা পারছেন সাধ্যমত আর্থিক সাহায্যও করছেন তাঁদের। এলাকাটি গোর্খা সম্প্রদায় অধ্যুষিত। এভাবেই দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে মেলবন্ধন ঘটছে।
