উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: অভিশপ্ত সেই ৮ অগাস্ট রাত। আরজি কর হাসপাতালের সেমিনার হলে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছিল কর্তব্যরত তরুণী চিকিৎসককে। সেই ঘটনার এক বছর। শুক্রবার রাত দখলের ডাক (RG Kar Protest) দিয়েছিল ওয়েস্ট বেঙ্গল জুনিয়র ডক্টরস ফ্রন্ট (WBJDF)। আরজি কর কাণ্ডে বিচার চেয়ে শনিবার নবান্ন অভিযানের (Nabanna Abhijan) ডাক দেওয়া হয়েছে। যদিও প্রশাসনের তরফ থেকে এখনও এ বিষয়ে কোনও অনুমতি চাওয়া হয়নি বলে দাবি পুলিশের। তবে উত্তেজনা এড়াতে কড়া ব্যবস্থা নিয়েছে কলকাতা পুলিশ।
হাওড়ার বিভিন্ন এলাকায় চলছে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা। সকাল থেকেই হাওড়া ময়দান, মল্লিক ফটক, বেলেপোল মোড়, সাঁতরাগাছি ও আশপাশের এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী। হাওড়া ময়দান ও মল্লিক ফটকের কাছে বসানো হয়েছে লোহার ব্যারিকেড। রাস্তায় ড্রিল করে স্থায়ীভাবে ব্যারিকেড লাগানোর কাজ চলছে। সম্ভাব্য উত্তেজনা মোকাবিলায় মজুত রাখা হয়েছে জল কামান। আকাশে উড়ছে ড্রোন, চলেছে নজরদারি। বেলেপোল মোড়ে তৈরি হয়েছে গার্ডরেলের ঘেরা নিরাপত্তা বলয়।
লালবাজার সূত্রে খবর, শনিবার ভোর ৪টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত শহরের বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ রাস্তায় যানচলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হবে। বহু জায়গায় কন্টেনার, স্টিলের ব্যারিকেড করে দেওয়া হয়েছে। বেশকিছু জায়গায় অ্যালুমিনিয়ামের গার্ডওয়াল বসানো হয়েছে।
গতকালই পুলিশের তরফে বিক্ষোভ-প্রতিবাদের জন্য দু’টি বিকল্প জায়গার কথা বলে দেওয়া হয়। একটি হল সাঁতরাগাছি বাসস্ট্যান্ড। অপরটি, রানি রাসমণি চত্বর। শান্তিপূর্ণভাবে মিছিল করার ক্ষেত্রে কোনও বাধা নেই বলে জানিয়েছে প্রশাসন। সেক্ষেত্রে প্রশাসনও মিছিলকারীদের পূর্ণ সহযোগিতা করবে। তবে কোনও সরকারি সম্পত্তি নষ্ট করা যাবে না। সেক্ষেত্রে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে পুলিশ বাধ্য হবে বলে জানিয়েছেন পুলিশ কমিশনার মনোজ ভার্মা।
