বড়ঞা: সম্পত্তির লোভে মাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠল ছেলে ও বউমার বিরুদ্ধে। এমনকী এই ঘটনায় বৌমার মায়েরও হাত রয়েছে বলে অভিযোগ। বুধবার ঘটনাটি ঘটেছে মুর্শিদাবাদের বড়ঞা থানার কুমরাই গ্রামে। এই ঘটনায় অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করেছে বড়ঞা থানার পুলিশ।
জানা গিয়েছে, মৃতার নাম অঞ্জলি মণ্ডল। তাঁর বয়স ছিল ৬৪ বছর। স্বামী মারা যাওয়ার পর দশ কাঠা ধানজমি ও দেড় কাঠা জমির উপরে বাড়িতে থাকতেন তিনি। কিন্তু এই জমিটি নিজের নামে লিখিয়ে নেওয়ার জন্য বৃদ্ধার সঙ্গে বচসা লেগেই থাকতো তাঁর ছেলে ও বৌমার। ওই মহিলার ছেলে বহুদিন ধরেই মাকে কখনও ভালোভাবে বুঝিয়ে আবার কখনও মারধর করে ওই সম্পত্তি নিজের নামে লিখিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। বুধবার সকালে মৃত অবস্থায় উদ্ধার হয় বৃদ্ধার দেহ। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, বৃদ্ধার শরীরের একাধিক জায়গায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। স্থানীয়দের অনুমান, বৃদ্ধাকে পিটিয়ে খুন করা হয়েছে।
বৃদ্ধার মেয়ে চিন্তা মণ্ডলের অভিযোগ, “দীর্ঘদিন ধরে আমার মাকে শারীরিকভাবে অত্যাচার করত আমার দাদা, বউদি এবং বউদির মা। এরা তিনজন মিলেই আমার মাকে খুন করেছে।” এই অভিযোগের পরেই এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়।
যদিও যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত ছেলে। তিনি বলেন, “মা বয়স্কজনিত কারণে বাথরুমে পড়ে গিয়ে আঘাত পেয়েছেন। তাঁকে মারধর করে হত্যার যে অভিযোগ করা হচ্ছে তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। তাঁকে খুন করা হয়নি।” এই ঘটনায় অভিযুক্ত ছেলে ও বৌমাকে আটক করা হয়েছে।
