জিয়াগঞ্জ: অসহায়তার সুযোগ নিয়ে এক কলেজ ছাত্রীকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাস, পরবর্তীতে বিয়ে করতে অস্বীকার। এই অপরধে অভিযুক্ত যুবককে গণপিটুনি নিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দিল গ্রামবাসীরা। রবিবার ঘটনাটি ঘটেছে মুর্শিদাবাদের জিয়াগঞ্জ লাগোয়া লালবাগ এলাকায়। নির্যাতিতা ছাত্রীর অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্ত যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় ব্যাপক শোরগোল পড়ে গিয়েছে এলাকায়।
জানা গিয়েছে, ধৃতের নাম শরিফুল আলী। বছর তিনেক আগে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে গুধিয়া গ্রামের বাসিন্দা এক কলেজ ছাত্রীর সঙ্গে। সম্পর্ক তাঁরা ভাই-বোন। প্রথম বর্ষের ওই ছাত্রীর অভিযোগ, তাঁকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার সহবাস করে শরিফুল। আমাকে না জানিয়ে আচমকা মুম্বইয়ে গিয়ে অন্য এক মহিলাকে বিয়ে করে বাড়ি ফেরে সে। বিষয়টি জানতে পেরে ওই কলেজ ছাত্রী বোনকে সঙ্গে নিয়ে তার সঙ্গে ঘটে যাওয়া অন্যায়ের বিচার চাইতে হাজির হন শরিফুলের বাড়িতে। অভিযোগ এর পরই শরিফুল ও তার সদ্য বিবাহিতা স্ত্রী এবং মা তিনজনে মিলে পেটায় ওই কলেজ ছাত্রী ও তার ছোট বোনকে। এরপরেই নির্যাতিতা পুরো বিষয়টি জানায় গ্রামবাসীদের। গ্রামবাসীরা চড়াও হয় শরিফুলের বাড়িতে। সেখানে গ্রামবাসীরা যুবককে পাকড়াও করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।
এক পুলিশ আধিকারিক জানান, শুধু প্রতিশ্রুতির ভঙ্গ নয়, কলেজ ছাত্রী ও তাঁর বোনকে মারধরের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে শরিফুলকে।
