Mukul Roy Dying | মুকুল রায়ের প্রয়াণে শোকস্তব্ধ মোদি-মমতা, স্মৃতিচারণায় অভিষেক

Mukul Roy Dying | মুকুল রায়ের প্রয়াণে শোকস্তব্ধ মোদি-মমতা, স্মৃতিচারণায় অভিষেক

শিক্ষা
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: অবসান হলো বঙ্গ রাজনীতির এক বর্ণময় ও ঘটনাবহুল অধ্যায়ের। রবিবার গভীর রাতে কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন একসময়ের ‘বঙ্গ রাজনীতির চাণক্য’ মুকুল রায় (Mukul Roy Dying)। সোমবার তাঁর প্রয়াণে শোকস্তব্ধ রাজনৈতিক মহল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (CM Mamata Banerjee) থেকে শুরু করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi)— সকলেই এই অভিজ্ঞ নেতার প্রয়াণে গভীর শোকপ্রকাশ করেছেন।

মমতার শোকবার্তা ও স্মৃতিচারণ

মুকুল রায়ের প্রয়াণে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর শোকবার্তায় অত্যন্ত আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন। তিনি লিখেছেন, “প্রবীণ রাজনীতিবিদ মুকুল রায়ের সহসা প্রয়াণের সংবাদে বিচলিত ও মর্মাহত বোধ করছি। তিনি আমার দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সহকর্মী ছিলেন, বহু রাজনৈতিক সংগ্রামের সহযোদ্ধা ছিলেন। তাঁর বিদায়ের খবর আমাকে বেদনাহত করেছে।

প্রয়াত মুকুল রায় তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠা-লগ্ন থেকে দলের জন্য প্রাণপাত করেছেন। তিনি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হয়েছিলেন, দলের সর্বস্তরে তাঁর গ্রহণযোগ্যতা ছিল। পরে তিনি ভিন্ন পথে যান, আবার ফিরেও আসেন। বাংলার রাজনীতিতে তাঁর অবদান এবং সাংগঠনিক দক্ষতার কথা ভোলার নয়। দলমত নির্বিশেষে তাঁর অভাব অনুভব করবে রাজনৈতিক মহল।

এই অভিজ্ঞ নেতা ও সহকর্মীর পরিবার ও অনুরাগীদের প্রতি আমার আন্তরিক সমবেদনা জানাই। শুভ্রাংশুকে বলব, মন শক্ত করো: এই সংকটে আমরা তোমার সঙ্গে আছি।”

শোকস্তব্ধ অভিষেক ও বিজেপি শিবির

তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) মুকুল রায়কে দলের অন্যতম ‘ভিত্তি-স্তম্ভ’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।

অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সামাজিক মাধ্যমে মুকুল রায়ের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও সমাজসেবামূলক প্রচেষ্টার কথা স্মরণ করে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। তিনি লিখেছেন, প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শ্রী মুকুল রায় জি’র প্রয়াণে শোকাহত। তাঁর রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও সমাজসেবামূলক প্রচেষ্টা স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তাঁর পরিবার ও সমর্থকদের প্রতি সমবেদনা জানাই। ওঁ শান্তি।

রাজনৈতিক জীবনের চড়াই-উতরাই

তৃণমূলের প্রথম সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক হওয়া থেকে রেলমন্ত্রীর দায়িত্ব সামলানো— মুকুল রায় ছিলেন মমতার ছায়াসঙ্গী। ২০১৭ সালে বিজেপিতে যোগ দিয়ে বাংলার সংগঠন মজবুত করার কারিগরও ছিলেন তিনি। ২০২১-এ বিজেপির টিকিটে বিধায়ক হওয়ার পর পুনরায় তৃণমূলে ফেরেন। যদিও খাতায়-কলমে তিনি বিজেপির বিধায়ক হিসেবেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন, কারণ তাঁর বিধায়ক পদ খারিজের মামলায় সুপ্রিম কোর্ট অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিয়েছিল। অসুস্থতা ও স্মৃতিভ্রমের কারণে গত কয়েক মাস তিনি লোকচক্ষুর অন্তরালে থাকলেও, তাঁর প্রয়াণে বাংলার রাজনীতির একটি দক্ষ ও অভিজ্ঞ মস্তিষ্কের চিরতরে বিদায় ঘটল।





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *