Minor lady kidnapped in Uttar Pradesh, husband in police internet after 11 years

Minor lady kidnapped in Uttar Pradesh, husband in police internet after 11 years

জীবনযাপন/LIFE STYLE
Spread the love


২০১৫ সালে এক নাবালিকাকে বিয়ে করেছিলেন যুবক। উত্তরপ্রদেশের খোরা কলোনি থেকে নাবালিকাকে ‘অপহরণ’ করে নাকি নিয়ে এসেছিলেন তিনি। তখনই মেয়েটির পরিবারের লোকেরা যুবকের বিরুদ্ধে নাবালিকার যৌন নিগ্রহ ও অপহরণের অভিযোগ দায়ের করেন। এরপর কেটে গিয়েছে ১১ বছর। ওই নাবালিকা সাবালিকা হয়েছেন। ওই দম্পতির এক সন্তানও রয়েছে। সেই সন্তানও স্কুলে পড়ে। কিন্তু এত বছরেও পুলিশের তলবে সাড়া দেননি যুবক। তাই এত বছর পর কলকাতায় হানা দিল উত্তরপ্রদেশ পুলিশ। পূর্ব কলকাতায় ট্যাংরায় তল্লাশি চালিয়ে কলকাতা পুলিশের সহায়তায় রঞ্জিৎ সিং নামে ‘অপহরণকারী’ স্বামীকে গ্রেপ্তার করলেন উত্তরপ্রদেশের খোরা থানার পুলিশ আধিকারিকরা।

পুলিশের সূত্র জানিয়েছে, উত্তরপ্রদেশে যাতায়াতের সূত্র ধরে রঞ্জিতের সঙ্গে পরিচয় হয় ওই নাবালিকা কিশোরীর। গাজিয়াবাদের খোরা কলোনি এলাকার বাসিন্দা ওই নাবালিকার সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা হয় ওই যুবকের। তারই জেরে যুবক নাবালিকাটিকে নিয়ে কলকাতায় পালিয়ে এসে বিয়ে করেন। এর পরই নাবালিকার পরিবার খোরা থানায় ওই যুবকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করে। শহরেই নাবালিকা স্ত্রীকে নিয়ে গা ঢাকা দেন রঞ্জিত। তখন পুলিশ তল্লাশি চালিয়েও তাঁর সন্ধান পায়নি। এর পর যুবক চাকরি করতে থাকেন। তাঁর নাবালিকা স্ত্রী সাবালিকা হয়ে যান। দম্পতির এক সন্তানও হয়। সন্তান স্কুলেও ভর্তি হয়। এর মধ্যে খোরা থানার পুলিশ তলব করে রঞ্জিতকে। কিন্তু রঞ্জিত কোনও সাড়া দেননি। খোরা থানার পুলিশ আধিকারিকরা জোগাড় করেন রঞ্জিতের মোবাইল নম্বর। রঞ্জিত উত্তরপ্রদেশের পুলিশকে স্পষ্ট জানিয়ে দেন, তিনি পরিবার নিয়ে ভালোই আছেন। তাঁর স্ত্রী এখন সাবালিকা। তাই পুরনো মামলায় তিনি আর জড়াতে চান না। এরপর পুলিশের পক্ষ থেকে তাঁকে বোঝানো হয় যে, যেহেতু এখনও তাঁর বিরুদ্ধে সেই পুরনো পকসো মামলায় নাবালিকার যৌন নিগ্রহ ও অপহরণের অভিযোগ রয়েছে, তাই আইনের চোখে তিনি এখনও ‘অপরাধী’।

আরও পড়ুন:

পুলিশের পক্ষে তাঁকে স্ত্রীকে নিয়ে গাজিয়াবাদ আদালতে গিয়ে আত্মসমর্পণ করতে বলা হয়। তাঁর স্ত্রী আদালতে গিয়ে তাঁদের দাম্পত্য জীবনের কথা জানালে তিনি রেহাই পেতে পারেন। উত্তরপ্রদেশের পুলিশের সূত্র জানিয়েছে, একবার রঞ্জিত পুলিশকে বলেন, তিনি মহারাষ্ট্রে রয়েছেন, কখনও বা বলেন দক্ষিণ ভারতের অন্য রাজ্যে কাজ করছেন। তিনি পুলিশ ও আদালতকে এড়িয়ে চলতে থাকেন। সম্প্রতি খোরা থানার পুলিশ রঞ্জিতের মোবাইলের সূত্র ধরে জানতে পারে যে, তিনি কলকাতায়। গাজিয়াবাদ আদালত থেকে পুলিশ রঞ্জিতের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। তারই ভিত্তিতে ট্যাংরায় হানা দিয়ে পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে। ধৃতকে কলকাতা থেকে উত্তরপ্রদেশে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বলে
জানিয়েছে পুলিশ।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *