Mekhliganj | রোগী নিয়ে ছুটতে হয় জলপাইগুড়ি-শিলিগুড়ি, আইসিইউ চালুর দাবি মেখলিগঞ্জ মহকুমা হাসপাতাল

Mekhliganj | রোগী নিয়ে ছুটতে হয় জলপাইগুড়ি-শিলিগুড়ি, আইসিইউ চালুর দাবি মেখলিগঞ্জ মহকুমা হাসপাতাল

শিক্ষা
Spread the love


মেখলিগঞ্জ: শয্যার সংখ্যা ১২০। মেখলিগঞ্জ ব্লকের ৮টি গ্রাম পঞ্চায়েত ও মেখলিগঞ্জ পুরসভা তো বটেই, হলদিবাড়ি ব্লকের ৬টি গ্রাম পঞ্চায়েত ও হলদিবাড়ি পুরসভা মিলিয়ে মহকুমার লক্ষাধিক মানুষের চিকিৎসা ক্ষেত্রে ভরসা মেখলিগঞ্জ মহকুমা হাসপাতাল। বহির্বিভাগে রোজ গড়ে ৮০০-র বেশি মানুষ পরিষেবা নিতে আসেন। কিন্তু রোগীর পরিস্থিতি জটিল হলে সাপোর্ট দেওয়ার মতো আইসিইউ পরিষেবা নেই। গুরুতর অবস্থায় অ্যাম্বুল্যান্সে রোগী নিয়ে ছুটতে হয় দূরে। আইসিইউ পরিষেবা চালু  হলে রোগীর হয়রানি কমবে বলে মনে করছেন সাধারণ মানুষ।

মেখলিগঞ্জ শহরের ১ নম্বর ওয়ার্ডে এই হাসপাতাল রয়েছে। সংকটপূর্ণ পরিস্থিতিতে রোগীকে জলপাইগুড়ি বা শিলিগুড়ি পাঠাতে হয়। এতটা পথ পেরোতে গিয়ে অনেক রোগী প্রাণ হারান বলেও অভিযোগ। আগে মেখলিগঞ্জ মহকুমা হাসপাতালে সপ্তাহে দু’দিন সার্জারি হত। পরবর্তীতে তা সপ্তাহে তিনদিন করা হয়। এখন সোম থেকে শুক্রবার পর্যন্ত সার্জারি করা হয়। মহকুমা হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, সার্জারির সংখ্যা আগের তুলনায় দ্বিগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। এছাড়াও মাসে ১১০-এর ওপর ক্যাটার‌্যাক্ট, ৮০-র ওপর সিজার এই হাসপাতালে করা হচ্ছে। হাসপাতালে ৫ জন গাইনি, ২ জন সার্জন, ৩ জন আই সার্জন, ২ জন অর্থোপেডিক চিকিৎসক রয়েছেন। তাই মেখলিগঞ্জের মানুষের সুবিধার্থে আইসিইউ ভীষণভাবে প্রয়োজন বলে মনে করছেন সকলে। সেইসঙ্গেই প্রয়োজন ব্লাড সেন্টারও এবং হাসপাতালের শয্যা বৃদ্ধি করাও দরকার।

মেখলিগঞ্জের শিক্ষক অনুপম বর্মন বলেন, ‘মেখলিগঞ্জ কৃষিজীবী এলাকা। দুঃস্থদের পক্ষে জলপাইগুড়ি বা শিলিগুড়ি গিয়ে চিকিৎসা করানো সম্ভব হয় না। অনেক সময় জলপাইগুড়ি বা শিলিগুড়ি নিয়ে যাওয়ার পথে রোগীর মৃত্যু ঘটে। তাই মেখলিগঞ্জ মহকুমা হাসপাতালে আইসিইউ স্থাপন করা খুবই প্রয়োজন।’ মেখলিগঞ্জ ব্লকের বাসিন্দা আতাউর রহমান বলেন, ‘এলাকার মুমূর্ষু রোগীদের যখন জলপাইগুড়ি বা শিলিগুড়ি রেফার করা হয়, তখন সেখানে গিয়েও তাঁদের হয়রান হতে হয়। সাধারণ মানুষ যতদিন নিজের অধিকার বুঝে না নিতে চাইবেন ততদিন বঞ্চিত হয়েই থাকবেন। মেখলিগঞ্জ মহকুমা হাসপাতালে অবিলম্বে আইসিইউ তৈরি করতে হবে।’

মেখলিগঞ্জ মহকুমা হাসপাতালের সুপার ডাঃ তাপস দাস বলেন, ‘মেখলিগঞ্জ মহকুমা হাসপাতালে রোগীদের রেফার করার সংখ্যা কমেছে। চিকিৎসকরা সার্বিকভাবে চেষ্টা করছেন। সার্জারির সংখ্যা বেড়েছে। আইসিইউ-এর প্রয়োজনীয়তার বিষয়ে আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের তরফে অদূরভবিষ্যতে আইসিইউ হবার ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছে।’

মেখলিগঞ্জ মহকুমা হাসপাতালের রোগীকল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান তথা বিধায়ক পরেশচন্দ্র অধিকারী বলেন, ‘আইসিইউ তৈরির বিষয় নিয়ে স্বাস্থ্য দপ্তরে কথা বলেছি। বিষয়টি তারা দেখছে।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *