Mehtab Hossain’s title is below adjudication

Mehtab Hossain’s title is below adjudication

জীবনযাপন/LIFE STYLE
Spread the love


দেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ব্লু টাইগার্সদের হয়ে ভারতের পতাকা ঊর্ধ্বে তুলে ধরেছেন। কিন্তু চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় সেই মেহতাব হোসেনের নামের পাশে লেখা, ‘বিচারাধীন’ বা ‘আন্ডার অ্যাজুডিকেশন’! দুই প্রধানের হয়ে খেলা প্রাক্তন ফুটবলার শুধু ক্ষুব্ধ নন, অবাকও। মেহতাবের প্রশ্ন, দেশের হয়ে খেলার পরও কি তাঁকে ‘দেশভক্তির’ প্রমাণ দিতে হবে? নির্বাচন কমিশনের ভুলের দায়ে কেন তাঁকে ভুগতে হবে?

আরও পড়ুন:

এর আগে এসআইআর শুনানিতে ডেকে পাঠানো হয়েছিল মেহতাবকে। ডাক পড়েছিল তাঁর মায়েরও। কিন্তু চূড়ান্ত তালিকা বেরনোর পর দেখা যায়, তাঁর পরিবারের সবার নাম আছে। শুধু মেহতাবের নামের পাশেই লেখা ‘বিচারাধীন।’ বিএলও ফোন করে তাঁকে বিষয়টি জানান। কিন্তু কেন এই সমস্যা? মেহতাব জানান, ২০০২ সালের ভোটার লিস্টে তাঁর নাম ছিল। কিন্তু তখন ‘ভুল’ করে ছিল ‘মহঃ মেহতাব হোসেন’। অর্থাৎ তথ্যে অসংগতির সমস্যা।

দেশের হয়ে ৩৩টি ম্যাচ খেলা ফুটবলার প্রশ্ন তুলছেন, “নির্বাচন কমিশনের ভুলের দায় কি আমাকে নিতে হবে? আমার বাড়ির সবার নাম চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় আছে। মায়ের নাম, দিদির নাম আছে। আমি তো ২০০২ সালে ভোটও দিয়েছি। তাহলে আমার নাম ‘বিচারাধীন’ থাকে কোন যুক্তিতে? ৪০ বছর বয়সি ফুটবলার আরও বলেন, “আমি ১৯৯৮ সালে অনূর্ধ্ব-১৬ পর্যায়ে খেলেছি, ২০০১ সালে বাংলার হয়ে সন্তোষ ট্রফি খেলেছি। এখনও কি আমাকে দেশভক্তির প্রমাণ দিতে হবে?” তবে তাঁর ধারণা, বিষয়টা যেহেতু ‘বিচারাধীন’, দ্রুত সমাধানও হয়ে যাবে।

আরও পড়ুন:

উল্লেখ্য, ২৮ ফেব্রুয়ারি, শনিবার রাজ্যে প্রকাশিত হয়েছে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা। কমবেশি ৬৩ লক্ষ মানুষের নাম কাটছাঁট হয়েছে। এমনকী বিশ্বজয়ী ক্রিকেটার রিচা ঘোষের নামের পাশেও লেখা ‘বিচারাধীন’। সেটা নিয়েও মেহতাব বললেন, “দেশের হয়ে বিশ্বকাপ জিতেও সমস্যায়। রিচার জন্য আমার খারাপ লাগছে।”

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *