মালবাজার: মালের (Malbazar) বিভিন্ন জায়গায় বেহাল নিকাশি ব্যবস্থা। শনিবার রাতের বৃষ্টির পর তারই জের ভোগ করতে হচ্ছে এলাকার বাসিন্দাদের। রাতের শিলাবৃষ্টির পর মাল শহরের বিভিন্ন এলাকার নর্দমায় জমে থাকা আবর্জনা মিশেছে হাইড্রেনে। সেই হাইড্রেন আবার যুক্ত হয়েছে তেশিমলা গ্রাম পঞ্চায়েতে। সেই নর্দমার মাধ্যমে মাল শহরের সমস্ত আবর্জনা এসে জমা হয়েছে পূর্ব তেশিমলায়। যে জমিতে আবর্জনা জমে আছে সেই জমি পার হয়ে যাতায়াত করে মোট পাঁচটি পরিবার। তাঁদের বাড়ির সামনে জমেছে সেই আবর্জনা।
এলাকার চাষের জমি পরিণত হয়েছে ডাম্পিং গ্রাউন্ডে। পাগলাঝোরা সহ নর্দমায় যে আবর্জনা জমে থাকে সেগুলো বৃষ্টির জলের সঙ্গে মিশে সমস্যা বাড়িয়েছে। এই পরিস্থিতিতে পুরসভার ভূমিকায় ক্ষুব্ধ তেশিমলার বাসিন্দারা।
স্থানীয় বাসিন্দা মহম্মদ আলিফ বলেন, ‘বিগত চার বছর ধরে বর্ষার সময় এমন সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। মালবাজার শহরের বিভিন্ন এলাকার আবর্জনা এসে জড়ো হচ্ছে বাড়ির সামনে। বারবার এই বিষয়ে গ্রাম পঞ্চায়েতে জানালেও সুরাহা হয়নি। আমরা মাল পুরসভায় বিষয়টি জানাব। তারপর পদক্ষেপ করা না হলে বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।’
এ ব্যাপারে মাল পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য সুশীল রায় বলেন, গ্রামবাসীদের সমস্যা নিয়ে কোনও মাথাব্যথা নেই পঞ্চায়েতের, এই সমস্যার সমাধান করতে হবে শীঘ্রই।’
এদিকে, মাল শহরেও রাস্তার ওপরে নর্দমার আবর্জনা ও জল জমে থাকতে দেখা গেল এদিন।
শহরের এমন অবস্থায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। ১২ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলার সরিতা গিরি বলেন, ‘এক ঘণ্টার বৃষ্টিতেই এই অবস্থা। চেয়ারম্যানকে সমস্যার কথা বলার পরেও কোনও সমাধান হয়নি। সাফাইকর্মী পাঠানোর কথা থাকলেও তাঁরা আসেননি।’ রবিবার ছুটির দিন থাকায় সাফাইকর্মীরা আসেন না। সোমবার রাস্তা থেকে আবর্জনা পরিষ্কার করা হবে বলে জানালেন চেয়ারম্যান।
পুরসভার চেয়ারম্যান উৎপল ভাদুড়ি বলেন, ‘আমরা মাল শহরের বাসিন্দাদের কাছে অনুরোধ করব আবর্জনা নর্দমায় না ফেলতে, আবর্জনার কারণে অন্য এলাকায় অসুবিধা হোক সেটা ঠিক নয়, সকলকে সচেতন হতে হবে।’
