Main Trainer recruitment case | প্রাথমিকে ৩২ হাজার চাকরি বাতিলের মামলা গ্রহণ সুপ্রিম কোর্টে, সব পক্ষকে নোটিশ ইস্যু 

Main Trainer recruitment case | প্রাথমিকে ৩২ হাজার চাকরি বাতিলের মামলা গ্রহণ সুপ্রিম কোর্টে, সব পক্ষকে নোটিশ ইস্যু 

খেলাধুলা/SPORTS
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্ক: প্রাথমিকে ৩২ হাজার শিক্ষকের চাকরি বাতিলের (Main Trainer recruitment case) মামলা এবার পৌঁছে গেল দেশের সর্বোচ্চ আদালতে। সোমবার সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court docket) বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত এবং বিচারপতি সতীশ চন্দ্র শর্মার ডিভিশন বেঞ্চ এই মামলাটি শুনানির জন্য গ্রহণ করেছে। মামলাটি গ্রহণ করার পাশাপাশি শীর্ষ আদালত এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত সমস্ত পক্ষকে নোটিশ ইস্যু করেছে। আগামী অগাস্ট মাসের তৃতীয় সপ্তাহে এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে বলে জানানো হয়েছে। তবে এদিন শুনানির সময় বিচারপতি দীপঙ্কর দত্তের একটি বিশেষ পর্যবেক্ষণ ঘিরে শিক্ষা মহলে নতুন করে শোরগোল পড়ে গেছে। বিচারপতি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, “আমাদের দেখতে হবে শিশুদের ভবিষ্যৎ যাঁদের উপর ন্যস্ত আছে, তাঁরা প্রকৃত অর্থেই যোগ্য কিনা!”

এই মামলার ইতিহাস বেশ দীর্ঘ এবং নাটকীয়। ২০২৩ সালের ১২ মে কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta Excessive Court docket) তৎকালীন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের সিঙ্গল বেঞ্চ ৩২ হাজার প্রাথমিক শিক্ষকের নিয়োগ বাতিলের নির্দেশ দিয়েছিল। হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চের এই রায়ের পর রাজ্য রাজনীতি ও শিক্ষাক্ষেত্রে নজিরবিহীন তোলপাড় শুরু হয়েছিল। বিপাকে পড়েছিলেন হাজার হাজার শিক্ষক ও তাঁদের পরিবার। সিঙ্গল বেঞ্চের এই কঠোর নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়েছিলেন চাকরিহারা শিক্ষকেরা। দীর্ঘ শুনানির পর ২০২৩ সালের ডিসেম্বর মাসে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী ও বিচারপতি ঋতব্রত কুমার মিত্রের ডিভিশন বেঞ্চ সিঙ্গল বেঞ্চের রায়টি সম্পূর্ণ খারিজ করে দেয়। ডিভিশন বেঞ্চ নির্দেশ দেয়, এই শিক্ষকদের কারও চাকরি যাচ্ছে না এবং তাঁরা সসম্মানে পদে বহাল থাকবেন। তৎকালীন রায়ে আদালতের পর্যবেক্ষণ ছিল, নিয়োগে কিছু ত্রুটি বা দুর্নীতি হলেও এত বিপুল সংখ্যক শিক্ষকের চাকরি একলপ্তে বাতিল করা যায় না। গত প্রায় ন’বছর ধরে তাঁরা কর্মরত এবং তাঁদের পরিবারের কথা মাথায় রেখেই মানবিক কারণে এই চাকরি বহাল রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।

হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের এই রায়কে মানতে পারেননি বঞ্চিত চাকরিপ্রার্থীদের একাংশ। ডিভিশন বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়েই তাঁরা দেশের সর্বোচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হন। সোমবার সুপ্রিম কোর্ট সেই আবেদন গ্রহণ করায় ৩২ হাজার শিক্ষকের ভাগ্য এখন ঝুলে রইল দিল্লির দরবারে। একদিকে হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি, অন্যদিকে যোগ্যতার প্রশ্নে সুপ্রিম কোর্টের কড়া অবস্থান— এই দুইয়ের টানাপোড়েনে আগামী অগাস্ট মাসে ৩২ হাজার শিক্ষকের ভাগ্য কোন দিকে মোড় নেয়, এখন সেটাই দেখার।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *