মুরতুজ আলম, সামসী: গরম এখনও সেভাবে পড়েনি। এর মধ্যে কর্পুরের মতো উবে গিয়েছে মহানন্দার জল (Mahananda River)। নদীতে নিশ্চিন্তে ঘোরাঘুরি করছে গোরু, মোষ, ছাগল। মানুষ নিশ্চিন্তে হেঁটে নদী পারাপার করছে। মহানন্দা শুকিয়ে যাওয়ায় চন্দ্রপুরে ভয়াবহ জলসংকট দেখা দিয়েছে। জলসংকট দেখা দিয়েছে অন্যত্র।
পুরাতন খানপুরের বাসিন্দা এমাদুর রহমান জানিয়েছেন, ‘প্রতি বছরের মতো এবছরেও গ্রীষ্মের শুরুতে খানপুর ঘাট থেকে বলরামপুর পর্যন্ত প্রায় সাত কিমি এলাকাজুড়ে মহানন্দা নদী শুকিয়ে গিয়েছে। এলাকাজুড়ে তীব্র জলসংকট দেখা দিয়েছে। জলস্তর নীচে নেমে যাওয়ায় হাতকলগুলিতেও ঠিকমতো জল ওঠে না। নদীতীরবর্তী গ্রামগুলিতে ভয়াবহ জলসংকট দেখা দিয়েছে।’
এলাকার আরেক বাসিন্দা আবদুর রশিদ জানিয়েছেন, ‘নদী শুকিয়ে যাওয়ায় নদীপাড়ের গ্রাম পুরাতন খানপুর, বালুটোলা, বাহারাবাদ ও বিভিন্ন এলাকায় তীব্র জলসংকট দেখা দিয়েছে। এখানকার বেশিরভাগই বাসিন্দা এই নদীর ওপর নির্ভরশীল।’
শিক্ষক মতিউর রহমান জানান, ‘চন্দ্রপাড়া পঞ্চায়েতের খানপুর মৌজায় পানীয় জলের জন্য জনস্বাস্থ্য কারিগরির একটি প্রকল্প রয়েছে। তা থেকে শুধুমাত্র ওই এলাকা ও মকদমপুরের মানুষ পরিষেবা পান। তক্তিপুর ও হঠাৎপাড়ায় জলের পাইপলাইন থাকলেও পরিষেবা মিলছে না।’ বাহারাবাদ, গোয়ালপাড়াও পানীয় জল থেকে বঞ্চিত। চাঁচল-২ ব্লকের বিডিও শান্তনু চক্রবর্তী জানান, ‘প্রশাসন অবশ্যই পদক্ষেপ করবে।’
