Lionel Messi Statue | হাওয়ায় দুলছে লেকটাউনে মেসির ৭০ ফুটের মূর্তি, ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্ত প্রশাসনের!

Lionel Messi Statue | হাওয়ায় দুলছে লেকটাউনে মেসির ৭০ ফুটের মূর্তি, ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্ত প্রশাসনের!

ব্লগ/BLOG
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্ক: লেকটাউনে (Laketown) অবস্থিত লিওনেল মেসির বিশাল ৭০ ফুটের মূর্তিটি নিয়ে কম আলোচনা হয়নি (Lionel Messi Statue)। এবার শোনা যাচ্ছে, ভেঙে ফেলা হবে বিশালাকার এই মূর্তিটি (Demolition)। অভিযোগ, প্রবল হাওয়ায় মূর্তিটি দুলতে শুরু করেছে। ফলে যে কোনও মুহূর্তে বড়সড়ো দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাই এই পরিস্থিতিতে মূর্তিটি ভেঙে ফেলার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন।

গত বছর ডিসেম্বর মাসে আর্জেন্টিনার ফুটবল তারকা লিওনেল মেসি যখন কলকাতায় এসেছিলেন তখন তিনিই ভার্চুয়ালি এই মূর্তির উদ্বোধন করেছিলেন। প্রাক্তন দমকল মন্ত্রী সুজিত বসুর উদ্যোগে ও শিল্পী মন্টি পালের তত্ত্বাবধানে তৈরি এই মূর্তিটি উদ্বোধনের সময় থেকেই বিতর্কের কেন্দ্রে ছিল। বহু মানুষের অভিযোগ ছিল, মূর্তির চেহারার সঙ্গে মেসির কোনও মিল নেই। তবে বর্তমানে এই সংক্রান্ত বিতর্কের চেয়ে নিরাপত্তার প্রশ্নটিই বড় হয়ে দেখা দিয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, মূর্তির নীচের অংশের মাটি ধসে যাওয়ায় ভিত দুর্বল হয়ে পড়েছে। মূর্তির নীচে রয়েছে একটি বিশাল জায়ান্ট স্ক্রিন, যেখানে প্রতিদিন সন্ধ্যায় আইপিএল সহ নানা ম্যাচ দেখতে ভিড় জমান স্থানীয়রা। এই অবস্থায় মূর্তিটি ভেঙে পড়লে প্রাণহানির বড় ঝুঁকি রয়েছে। সোমবার বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পরই নড়েচড়ে বসে প্রশাসন। লেকটাউন থানা, পূর্ত দপ্তরের ইঞ্জিনিয়ার এবং সরকারি আধিকারিকরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন শেষে প্রাথমিক অনুমান, নিরাপত্তার খাতিরে সোমবার রাতেই মূর্তিটি ভেঙে ফেলা হতে পারে।

এদিকে, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। স্থানীয় বিজেপি কর্মীদের অভিযোগ, তড়িঘড়ি এবং নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার করেই এই মূর্তি তৈরি করা হয়েছিল। তৎকালীন মন্ত্রী সুজিত বসুর নাম জড়িয়েও শুরু হয়েছে সমালোচনা। সম্প্রতি সল্টলেকে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনের সামনে কোমরের ওপর বল রাখা মূর্তিটিও ভেঙে ফেলা হয়েছে। এবার কি তবে সেই তালিকায় নাম লেখাবে লেকটাউনে মেসির মূর্তিটিও? শেষ পর্যন্ত কী হয়, সেটাই দেখার অপেক্ষায় স্থানীয়রা।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *