উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্ক: আন্দোলনকারীদের উপরে পুলিশি অত্যাচারের অভিযোগ এবং সিজেপি নেতা আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাসকে গ্রেপ্তারির ঘটনার প্রতিবাদ আগামীকাল শুক্রবার ‘লেহরা দো তিরঙ্গা’ (Lehra do Tiranga) কর্মসূচির ঘোষণা করেছে ককরোচরা (Cockroach Janta Get together)। শুক্রবার কনট প্লেসে এই কর্মসূচি পালন করবে ককরোচ জনতা পার্টি। তবে, সিজেপি-র এই কর্মসূচির জন্য অনুমতি দেওয়া হয়নি বলে দাবি দিল্লি পুলিশের। শুক্রবার ওই এলাকায় জমায়েত করলে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানিয়ে দিয়েছে দিল্লি পুলিশ। অন্য দিকে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় একটি বিজ্ঞপ্তি দিয়ে দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, আগামী ১৬ ও ১৭ অক্টোবর কনট প্লেসের সেন্ট্রাল পার্ক বন্ধ রাখা হচ্ছে। এখানেই ‘লেহরা দো তিরঙ্গা’ কর্মসূচির ডাক দিয়েছিল সিজেপি।
AISA নেত্রী নেহা বোরা, অভিনেতা প্রকাশ রাজকে নিয়ে শুক্রবার দিল্লিতে একটি বৈঠক করেন অভিজিৎ দীপকে। এ দিনের বৈঠকে দীপকের প্রশ্ন, একজন নির্বাচন কমিশনারকে ঘিরে এমন পরিস্থিতি কেন তৈরি হবে? অভিজিৎ দীপকের অভিযোগ, দেশের যুবক-যুবতী এবং আন্দোলনকারীদের রাস্তায় নামতে হচ্ছে। তাঁদের আটক করা হচ্ছে, প্রতিবাদ করতে গিয়ে হেনস্থার মুখেও পড়তে হচ্ছে।
অন্য দিকে, দিল্লি পুলিশ এ দিন জানিয়ে দেয়, কনট প্লেস অন্যতম ব্যস্ত জায়গা। ব্যবসা বাণিজ্যের দিক থেকেই এই জায়গা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই এলাকায় জমায়েত হলে পুজোর মরশুমে ব্যবসার ক্ষতি হতে পারে। এর পাশাপাশি, নাগরিকদের সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে দিল্লির বিভিন্ন জায়গায় ১৬৩ ধারা প্রয়োগ করা হয়েছে। সেই কারণে অনুমতি ছাড়াই কনট প্লেসে কোনও জমায়েত করা হলেও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
গত শনিবার ১০ অক্টোবর দিল্লিতে ককরোচ জনতা পার্টি-সহ একাধিক ছাত্র সংগঠন সমাবেশের ডাক দিয়েছিল। দিল্লিতে ল্যান্ড করার আগেই প্লেন থেকে অভিজিৎ দীপকে-সহ ককরোচ নেতাদের আটক করা হয়েছিল। একই সঙ্গে সোমবার যন্তর মন্তরে যে কোনও ধরনের সমাবেশ নিষিদ্ধ করে সরকার। পরের দিন ককরোচ নেতা অভিজিৎ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা জোরপূর্বক যন্তর মন্তরে ঢুকে পড়ায় তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। দু’জনকেই জেল হেফাজত দেওয়া হয়েছে।

