Ladies’s World Cup | স্কোরবোর্ডে ৩৩০ রানের ‘হিমালয়’ চাপিয়েও ব্যর্থ, অজিদের কাছে ৩ উইকেটে হার ভারতের

Ladies’s World Cup | স্কোরবোর্ডে ৩৩০ রানের ‘হিমালয়’ চাপিয়েও ব্যর্থ, অজিদের কাছে ৩ উইকেটে হার ভারতের

আন্তর্জাতিক INTERNATIONAL
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্কঃ শুরুটা ছিল রূপকথার মতো। কিন্তু স্কোরবোর্ডে ৩৩০ রানের ‘হিমালয়’ চাপিয়েও শেষরক্ষা হল না। মহিলাদের বিশ্বকাপের মঞ্চে অস্ট্রেলিয়ার কাছে ৩ উইকেটে হার মানতে হল হরমনপ্রীত কৌরের ভারতকে। স্মৃতি মন্ধানার ব্যাটে তিন-তিনটি বিশ্বরেকর্ড এলেও, জয়ের আলো নিভিয়ে দিল দুর্বল বোলিং এবং প্রশ্নবিদ্ধ ফিল্ডিং। এই পরাজয় কেবল ম্যাচের হার নয়, বরং আসন্ন ইংল্যান্ড ম্যাচের আগে ভারতীয় ড্রেসিংরুমে গভীর চিন্তার ভাঁজ ফেলল।

ম্যাচটা যেন ছিল মন্ধানা বনাম হিলির ব্যক্তিগত দ্বৈরথ। সমালোচনার জবাব দেওয়ার কঠিনতম মঞ্চ হিসেবে বিশ্বকাপকেই বেছে নিলেন স্মৃতি। ৬৬ বলে ঝোড়ো ৮০ রানের ইনিংস খেলে স্মৃতি যখন ইনিংসের ভিত্তি গড়লেন, তখনই তিনি মহিলাদের এক দিনের ক্রিকেটে প্রথম ব্যাটার হিসাবে এক ক্যালেন্ডার বছরে ১,০০০ রান করার বিরল রেকর্ড গড়েন। পাশাপাশি, দ্রুততম ৫,০০০ ODI রান (১১২ ইনিংসে) সংগ্রহের কৃতিত্বও অর্জন করেন তিনি।
কিন্তু স্মৃতির এই দুর্ধর্ষ কীর্তি ম্লান করে দিল অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক অ্যালিসা হিলির মহাকাব্যিক ১৪২ (১০৭ বলে)। ২১টি চার ও ৩টি ছক্কায় সাজানো ৩৫ বছরের হিলির অভিজ্ঞতা এবং ইস্পাত কঠিন দৃঢ়তা ম্যাচ ছিনিয়ে নিল। ১২০টি এক দিনের ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে তিনি বোঝালেন, কেন অস্ট্রেলিয়া বিশ্ব ক্রিকেটের শ্রেষ্ঠ শক্তি।

একটা সময় মনে হচ্ছিল অস্ট্রেলিয়ার জয়ের রথ হয়তো থামতে চলেছে। পাওয়ার প্লে-তে ৮২ রান তোলার পরেও পরের ২০ ওভারে রান তোলার গতি মন্থর হয়ে যায়। বাঁহাতি শ্রী চরণী (৩/৪১) এবং দীপ্তি শর্মার স্পিন জুটিকে সামলাতে তখন কার্যত হিমশিম খাচ্ছিলেন অজি ব্যাটাররা। বিশেষত শ্রী চরণী ভারতীয় বোলারদের মধ্যে সেরা ছিলেন। বেথ মুনি (৪) এবং অ্যানাবেল সাদারল্যান্ডকে (০) দ্রুত ফেরানোর পর যখন অস্ট্রেলিয়া তখন (১৭০/৩) সমস্যায়। কিন্তু এরপরেই হিলি এবং গার্ডনারের জুটি ম্যাচটিকে একতরফা করে দেন।

এই ম্যাচ থেকে ভারতের একমাত্র ইতিবাচক দিক স্মৃতির রানে ফেরা এবং ব্যাটারদের বল নষ্ট না করার মানসিকতা। কিন্তু বারবার প্রকাশ্যে চলে এল ভারতীয় বোলিং এবং ফিল্ডিং বিভাগের দুর্বলতা। ৩৩০ রানের পুঁজি নিয়েও ম্যাচ হারার অর্থ, বোলাররা চাপের মুহূর্তে লাইন-লেংথ ধরে রাখতে পারেননি। সামনে আরও কঠিন প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ড। আগামী রবিবার সেই ম্যাচে পরাজিত হলে সেমিফাইনালের পথ আরও কঠিন হবে। ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের শিখরকে দলগত জয়ের চূড়ায় পৌঁছানোর চ্যালেঞ্জ এখন হরমনপ্রীত বাহিনীর সামনে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *