সৌরভ রায়, কুশমণ্ডি: ঢাকঢোল পিটিয়ে কুশমণ্ডি বাসস্ট্যান্ডের পাশে পিডব্লিউডি’র জমিতে কর্মতীর্থ চালু হলেও আজ পর্যন্ত অধিকাংশ স্টল বন্ধ। ৪০টির বেশি স্টল রয়েছে এই কর্মক্ষেত্রে। কিন্তু হাতেগোনা চার-পাঁচজন স্টল খোলেন নাম কা ওয়াস্তে। যা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ব্যবসায় উদ্যমী তরুণরা। ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন কুশমণ্ডি (Kushmandi) পঞ্চায়েত সমিতির কৃষি কর্মাধ্যক্ষ রেজাজাহির আব্বাস।
স্থানীয় তরুণ পাল সরকার ধূপকাঠির ব্যবসা করেন। তিনি বলেন, ‘বাড়ি থেকে ব্যবসা করতে হয়। কর্মতীর্থে একটা দোকানঘর পেলে ব্যবসা শুরু করতাম।’ আরেক তরুণ অনয় কুণ্ডু কুরিয়ার ব্যবসা করেন। তাঁর স্থায়ী দোকান নেই। তাঁর বক্তব্য, ‘যাঁরা ব্যবসা করতে আগ্রহী, তাঁদের চিহ্নিত করে ঘরগুলি দিলে ভালো হত।’
জানা যাচ্ছে, এমন অনেকেই আছেন, যাঁরা পঞ্চায়েত সমিতির লটারিতে অংশগ্রহণ করে কর্মতীর্থে দোকানঘর পেয়েছেন। তাঁদের অধিকাংশেরই দোকান করার প্রয়োজন নেই। একই ছবি দেখা গিয়েছে জেলা পরিষদের তৈরি মার্কেটের ক্ষেত্রেও। কর্মতীর্থ থেকে যাঁরা দোকানঘর নিয়েছিলেন, তাঁদের মধ্যে একজন পাপাই বর্মন। তিনি বলেন, ‘দোকান নিয়ে রোজ ঝঁাপ খোলা আর বন্ধ করা ছাড়া কোনও কাজ নেই। বাসস্ট্যান্ডের ভিতরে কর্মতীর্থের দিকে কোনও মানুষ যায় না।’
বিষয়টি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন কুশমণ্ডি পঞ্চায়েত সমিতির কৃষি কর্মাধ্যক্ষ রেজাজাহির আব্বাস। তিনি বলেন, ‘সরকার থেকে কোটি কোটি টাকা খরচ করে কর্মতীর্থ তৈরি হল। দোকানঘর বিলি করা হল। কিন্তু সেগুলি খোলা হচ্ছে না। এতে ভুল বার্তা যাচ্ছে।’ তিনি বিষয়টি নিয়ে পঞ্চায়েত সমিতিতে আলোচনা করবেন বলে জানান। এই প্রসঙ্গে পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মরিয়ম মার্ডি বলেন, ‘যাঁরা দোকান নিয়ে দোকান করছেন না, তাঁদের জবাবদিহি করতে হবে। দোকান না করলে আমরা ইচ্ছুক তরুণদের দিয়ে দেব।’
