Kolakham Pageant | অ্যাডভেঞ্চার ট্যুরিজমে নজর কোলাখাম ফেস্টিভালে

Kolakham Pageant | অ্যাডভেঞ্চার ট্যুরিজমে নজর কোলাখাম ফেস্টিভালে

ব্লগ/BLOG
Spread the love


তমালিকা দে, শিলিগুড়ি: জেন জেড থেকে আশি, ঘরবন্দি জীবন এখন অধিকাংশরই বাদের খাতায়। প্রকৃতিকে নতুনভাবে চেনার জন্য মুখিয়ে থাকেন সকলেই। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে নতুন করে তুলে ধরেছে যেন কোলাখাম পাহাড়। কোলাখামের সৌন্দর্য পর্যটকদের কাছে তুলে ধরে স্থানীয় তরুণদের কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে উদ্যোগী হয়েছে গোর্খাল্যান্ড টেরিটোরিয়াল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (জিটিএ)। পাহাড়ে কীভাবে পর্যটনের নতুন জায়গা খুঁজে বের করে পর্যটকদের কাছে তুলে ধরা যাবে এবং নতুন প্রজন্মকে কীভাবে এর সঙ্গে যুক্ত করা যায়, সেই ভাবনা থেকেই গতবছর চালু করা হয়েছিল কোলাখাম ফেস্টিভাল (Kolakham Pageant)। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের মধ্যে দিয়ে হাইকিংয়ের আনন্দ নিতে দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে পর্যটকরাও যোগ দিয়েছিলেন ফেস্টিভালে। গতবছর সাফল্যের পর চলতি বছর এই ফেস্টিভাল কীভাবে আরও বেশি মানুষের কাছের হয়ে ওঠে, সেই চেষ্টায় উদ্যোক্তারা। ৪ ও ৫ নভেম্বর কালিম্পংয়ের কোলাখামে হবে ফেস্টিভাল।

পাহাড়ের পর্যটনকে দেশ-বিদেশের মানুষের কাছে তুলে ধরতে অ্যাডভেঞ্চার ট্যুরিজমের দিকে এখন বিশেষ নজর রয়েছে পর্যটন মহলের। হাইকিং, ট্রেকিংয়ে পর্যটকদের আগ্রহ দেখে নতুন নতুন ডেস্টিনেশন খুঁজে বের করতে চাইছে জিটিএ। পাহাড়ে কীভাবে হাইকিং, ট্রেকিংয়ের মতো অ্যাক্টিভিটিগুলি আরও জনপ্রিয় করা যায়, সেজন্য নতুন নতুন রুটের সঙ্গে পরিচিতি ঘটানো হচ্ছে। কী রয়েছে এই হাইকিং রুটে? প্রশ্ন করতেই উদ্যোক্তাদের তরফে জানানো হয়, জঙ্গল, পাহাড়ি গ্রাম, ঝরনা ছাড়াও কাঞ্চনজঙ্ঘার অপরূপ সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারবেন পর্যটকরা। এছাড়াও থাকবে স্থানীয় খাবার ও সংস্কৃতির সঙ্গে নিজেকে আপন করে নেওয়ার সুযোগ। এধরনের ফেস্টিভালের মাধ্যমে যে শুধু পর্যটনশিল্পের প্রসার ঘটে, তা নয়। পাশাপাশি স্থানীয়দেরও কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ে বলে বক্তব্য উদ্যোক্তাদের। পর্যটকদের গাইড করা, স্থানীয় খাবারের স্বাদ চেনানো, হোমস্টেতে রাতে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে পাহাড়ি সংস্কৃতি তুলে ধরে এমন ফেস্টিভাল। মধ্যমণি পাহাড়ের প্রশান্তিতে ঘটে যায় পর্যটক ও স্থানীয়দের মেলবন্ধন। জিটিএ পর্যটন বিভাগের ফিল্ড ডিরেক্টর দাওয়া গ্যালপো শেরপা বলেন, ‘গত কয়েক বছরে পর্যটকদের হাইকিংয়ের প্রতি আকর্ষণ অনেকটাই বেড়েছে। এই ফেস্টিভাল আয়োজন করার লক্ষ্যই হল আরও বেশি পর্যটকদের কাছে অ্যাডভেঞ্চার ট্যুরিজমকে তুলে ধরা। পাশাপাশি, এর সঙ্গে যুক্ত হয়ে স্থানীয়রা কীভাবে কর্মসংস্থানের পথ ধরতে পারেন, তা নির্দিষ্ট করা। কীভাবে পর্যটকদের সঙ্গে মেলামেশা করা উচিত, তা নিয়ে তাঁদের প্রশিক্ষণও দেওয়া হয়।’ তিনি আরও জানান, হাইকিংয়ে পর্যটকদের যাতে কোনও অসুবিধা না হয়, তার জন্য প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থাও থাকবে। ইতিমধ্যেই দেশ-বিদেশের অনেক পর্যটক হাইকিংয়ে অংশগ্রহণের জন্য ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন।

উদ্যোক্তরাও চান এইভাবে অ্যাডভেঞ্চার ট্যুরিজমে পর্যটকদের মনের অক্সিজেন সংগ্রহের মাধ্যমে স্থানীয়দেরও সঞ্চয়ের পকেট মজবুত হয়ে উঠুক।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *