Kishtwar encounter | কিশতোয়ারে জঙ্গিদের সঙ্গে গুলিযুদ্ধে জখম ৭ জওয়ান, প্রজাতন্ত্র দিবসের আগে উত্তপ্ত উপত্যকা

Kishtwar encounter | কিশতোয়ারে জঙ্গিদের সঙ্গে গুলিযুদ্ধে জখম ৭ জওয়ান, প্রজাতন্ত্র দিবসের আগে উত্তপ্ত উপত্যকা

শিক্ষা
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক : প্রজাতন্ত্র দিবসের প্রাক্কালে ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠল জম্মু ও কাশ্মীর। রবিবার কিশতয়ারের দুর্গম এলাকায় লুকিয়ে থাকা জঙ্গিদের বিরুদ্ধে অভিযান চালাতে গিয়ে তীব্র গুলিযুদ্ধের (Kishtwar encounter) মুখে পড়ে ভারতীয় সেনা। এই এনকাউন্টারে সাতজন সেনা জওয়ান আহত হয়েছেন বলে সূত্র মারফত জানা গিয়েছে। আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে এবং গোটা এলাকা ঘিরে ফেলে জোরদার তল্লাশি শুরু করেছে নিরাপত্তা বাহিনী।

সেনাবাহিনীর জম্মু-ভিত্তিক হোয়াইট নাইট কর্পস এই অভিযানের নাম দিয়েছে ‘অপারেশন ট্রাশি-১’ (Operation Trashi-I)। সেনা সূত্রে খবর, গোপন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে কিশতোয়ারের চাত্রু (Chatroo) এলাকার উত্তর-পূর্বে অবস্থিত সোনার (Sonnar) নামক জায়গায় জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশের সঙ্গে যৌথভাবে একটি ‘সার্চ অপারেশন’ বা তল্লাশি অভিযান শুরু করে সেনাবাহিনী। রবিবার দুপুর নাগাদ জওয়ানরা যখন দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় তল্লাশি চালাচ্ছিলেন, ঠিক তখনই জঙ্গিরা অতর্কিতে গুলি চালাতে শুরু করে।

আধিকারিকদের মতে, ওই এলাকায় ২ থেকে ৩ জন বিদেশি জঙ্গি লুকিয়ে ছিল, যারা পাকিস্তান-ভিত্তিক সন্ত্রাসবাদী সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদের (JeM) সদস্য বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। সেনার ঘেরাও ভাঙতে জঙ্গিরা এলোপাথাড়ি গুলি চালানোর পাশাপাশি গ্রেনেডও ছোড়ে। জওয়ানরা অত্যন্ত সাহসিকতার সঙ্গে পাল্টা জবাব দেন। কঠিন ভূখণ্ড এবং প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও জওয়ানদের এই লড়াইকে কুর্নিশ জানিয়েছে সেনা কর্তৃপক্ষ।

জঙ্গিরা যাতে ঘন জঙ্গল ও অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে পালিয়ে যেতে না পারে, তার জন্য অতিরিক্ত সেনা এবং সিআরপিএফ (CRPF) জওয়ানদের ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। জঙ্গিদের অবস্থান চিহ্নিত করতে আধুনিক নজরদারি সরঞ্জাম, ড্রোন এবং স্নিফার ডগ ব্যবহার করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, চলতি বছরে জম্মু অঞ্চলে এটি তৃতীয় এনকাউন্টারের ঘটনা। এর আগে গত ৭ ও ১৩ জানুয়ারি কাঠুয়া জেলার বিল্লাওয়ার এলাকার জঙ্গলে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে জঙ্গিদের সংঘর্ষ হয়েছিল। গত ডিসেম্বরে উধমপুরেও জঙ্গিদের গুলিতে এক পুলিশ আধিকারিক শহিদ হন। প্রজাতন্ত্র দিবসের আগে পাকিস্তান সীমান্তে সক্রিয়তা বেড়েছে এবং জঙ্গিদের অনুপ্রবেশ করানোর মরিয়া চেষ্টা চলছে বলে গোয়েন্দা সূত্রে খবর। সেই কারণেই উপত্যকা জুড়ে এখন হাই অ্যালার্ট জারি রয়েছে এবং জঙ্গলে লুকিয়ে থাকা জঙ্গিদের খুঁজে বের করতে ‘অপারেশন’ আরও তীব্র করা হয়েছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *