কিশনগঞ্জ: বিয়ের দিন পাকা। কার্ড ছাপানো থেকে শুরু করে নিমন্ত্রণও প্রায় সেরে ফেলেছে দুই পক্ষই। কনের বাড়িতে শুরু হয়ে গিয়েছে প্যান্ডেল বাঁধার কাজ। বিয়ের যাবতীয় আয়োজনও প্রায় সম্পন্ন। শনিবার ছিল আশির্বাদের অনুষ্ঠান। আর এই সময়ই বায়না ধরেন পাত্র। তাঁর চাই দামি মোটরবাইক। পাত্রীপক্ষ হবু বরের দাবি মানতে অস্বীকার করে। বিয়ে ভেঙে দেয় পাত্র। এমনই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে কিশনগঞ্জে।
জানা গিয়েছে, আগামী ১৫ ডিসেম্বর কাটিহারের বলরামপুর থানা এলাকার বাসিন্দা রামবিলাস পাসওয়ানের সঙ্গে বিয়ে ঠিক হয় খাগড়ার বাসিন্দা এক যুবতির। বিয়ের যাবতীয় আয়োজন প্রায় সম্পন্ন। শনিবার রামবিলাসকে আশির্বাদ করতে যান পাত্রীপক্ষ। সেই সময়ই পাত্র রামবিলাস একটি দামি বাইক দাবি করেন। কিন্তু পাত্রীপক্ষ স্পষ্ট জানিয়ে দেয় পাত্রের দাবি মানা সম্ভব নয়। রামবিলাসও দাবি পূরণ না হওয়ায় বিয়েতে বেঁকে বসে। অনেক বোঝানোর পরেও পাত্র নিজের মত পরিবর্তন না করায় পাত্রীপক্ষ বিষয়টি জানান স্থানীয় পুরসভার চেয়ারম্যান ইন্দ্রদেব পাসওয়ানকে। পুরপ্রধান বিয়ে না ভাঙার জন্য বারবার অনুরোধ করলেও কথা শোনেননি পাত্র রামবিলাস। সে কারোর কথা শোনেননি। এরপরেই কনেপক্ষ কিশনগঞ্জ সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। কনেপক্ষের অভিযোগ, আগে বর পক্ষ একলাখ টাকা নগদ পণ নিয়েছে। এবার তাঁর দাবি মোটরবাইকের। কনেপক্ষের অভিযোগের ভিত্তিতে পাত্র রামবিলাসকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
