Karnataka | স্কুলে পরা যাবে হিজাব-পৈতে, কিন্তু ‘নো এন্ট্রি’ গেরুয়া শালের, কর্ণাটকে সিদ্দারামাইয়ার নতুন ‘ফরমান’!

Karnataka | স্কুলে পরা যাবে হিজাব-পৈতে, কিন্তু ‘নো এন্ট্রি’ গেরুয়া শালের, কর্ণাটকে সিদ্দারামাইয়ার নতুন ‘ফরমান’!

ভিডিও/VIDEO
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: ২০২২ সালের বহুল চর্চিত ‘হিজাব বিতর্ক’ নিয়ে এবার উলট পুরাণ কর্ণাটকে। পূর্বতন বিজেপি সরকারের আনা নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে রাজ্যের স্কুল-কলেজে হিজাব, পৈতে এবং শিখ পাগড়ি পরার অনুমতি দিল মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়ার কংগ্রেস সরকার। তবে একই সঙ্গে সরকার সাফ জানিয়ে দিয়েছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কোনোভাবেই ‘গেরুয়া শাল’ ব্যবহার করা যাবে না। মুখ্যমন্ত্রীর এই ঘোষণার পর বিন্দুমাত্র সময় নষ্ট না করে আসরে নেমেছে বিরোধী দল বিজেপি। সরকারের এই সিদ্ধান্তকে ‘তোষণ রাজনীতি’ বলে আক্রমণ শানিয়েছে তারা।

মহীশূরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া স্পষ্ট করেন, দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত ছাত্রছাত্রীরা তাঁদের নিজস্ব বিশ্বাস অনুযায়ী প্রথাগত ধর্মীয় অনুষঙ্গ ব্যবহার করতে পারবেন। তাঁর কথায়,”গেরুয়া শাল পরে স্কুলে আসা যাবে না। পাগড়ি, পৈতে, শিবধারা, রুদ্রাক্ষের মালা এবং হিজাব—যে যার বিশ্বাস অনুযায়ী পরতে পারেন। তবে তা হতে হবে দীর্ঘদিনের চেনা প্রথা মেনে। হুট করে কোনো নতুন প্রথা বা পোশাকের আমদানি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে করা যাবে না।”

মহীশূরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া স্পষ্ট করেন, দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত ছাত্রছাত্রীরা তাঁদের নিজস্ব বিশ্বাস অনুযায়ী প্রথাগত ধর্মীয় অনুষঙ্গ ব্যবহার করতে পারবেন। তাঁর কথায়,”গেরুয়া শাল পরে স্কুলে আসা যাবে না। পাগড়ি, পৈতে, শিবধারা, রুদ্রাক্ষের মালা এবং হিজাব—যে যার বিশ্বাস অনুযায়ী পরতে পারেন। তবে তা হতে হবে দীর্ঘদিনের চেনা প্রথা মেনে। হুট করে কোনো নতুন প্রথা বা পোশাকের আমদানি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে করা যাবে না।”

গেরুয়া পাগড়ি পরা যাবে কি না, এই প্রশ্নের উত্তরেও মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানান, নতুন কোনো রীতির অনুমতি দেওয়া হবে না। ২০২২ সালে বিজেপি সরকারের দেওয়া নির্দেশিকায় বলা হয়েছিল, সমতা এবং জনশৃঙ্খলার স্বার্থে নির্ধারিত ইউনিফর্ম ছাড়া অন্য কিছু পরা যাবে না।

সরকারের এই সিদ্ধান্তের তীব্র বিরোধিতা করে ময়দানে নেমেছে হিন্দুত্ববাদী সংগঠন এবং বিজেপি নেতৃত্ব। বিজেপির মুখপাত্র অশোক গৌড়া বলেন, “সিদ্দারামাইয়া একজন হিন্দু-বিরোধী মুখ্যমন্ত্রী। ওঁর হিজাব নিয়ে কোনো আপত্তি নেই, অথচ গেরুয়া শাল দেখলেই সমস্যা! এটা স্রেফ ভোটব্যাঙ্কের তোষণ রাজনীতি।”

অন্যদিকে, বিজেপি বিধায়ক ভরত শেট্টি রাজ্য সরকারের প্রশাসনিক ব্যর্থতা আড়াল করার অভিযোগ তুলে সরব হয়েছেন। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “যদি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে হিজাব পরার অনুমতি দেওয়া হয়, তবে হিন্দু পড়ুয়াদেরও গেরুয়া শাল পরে আসার অধিকার দিতে হবে। অতীতে যখন হিজাব বিতর্ক দানা বেঁধেছিল, তখনও পড়ুয়াদের এটাই দাবি ছিল।” বেশ কিছু হিন্দুত্ববাদী সংগঠন ইতিমধ্যেই পাল্টা হিসেবে স্কুলে গেরুয়া শাল পরে যাওয়ার হুমকি দিয়েছে।

পাঁচ বছর আগের হিজাব আন্দোলন কর্ণাটকের সীমানা ছাড়িয়ে জাতীয় রাজনীতিতে আলোড়ন ফেলেছিল। ২০২৬ সালে এসে কংগ্রেস সরকারের এই পাল্টা সিদ্ধান্ত এবং গেরুয়া শালের ওপর নিষেধাজ্ঞা পরিস্থিতিকে কোন দিকে নিয়ে যায়, এখন সেটাই দেখার। রাজনৈতিক মহলের মতে, আসন্ন দিনগুলিতে এই পোশাক বিধিকে কেন্দ্র করে কর্ণাটকের শিক্ষা প্রাঙ্গণগুলি আবারও তপ্ত হয়ে উঠতে পারে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *