Kanyashree Prakalpa | কর্মী সংকটে থমকাচ্ছে কন্যাশ্রী, লক্ষ্যমাত্রা পূরণ নিয়ে দুশ্চিন্তায় স্কুলগুলি

Kanyashree Prakalpa | কর্মী সংকটে থমকাচ্ছে কন্যাশ্রী, লক্ষ্যমাত্রা পূরণ নিয়ে দুশ্চিন্তায় স্কুলগুলি

ব্লগ/BLOG
Spread the love


প্রণব সূত্রধর, আলিপুরদুয়ার: গ্রুপ-সি, গ্রুপ-ডি চাকরি বাতিলের প্রভাব পড়ল কন্যাশ্রী প্রকল্পের (Kanyashree Prakalpa) কাজে। ২০ জানুয়ারি কাজ শেষ করে ২৭ জানুয়ারি তার রিপোর্ট পেশের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অনেক স্কুলে গ্রুপ-সি, গ্রুপ-ডি’র চাকরি বাতিল হয়েছে। কর্মীর অভাবে জানুয়ারি মাসের মধ্যে কাজ শেষ করা নিয়ে নাজেহাল জেলার বেশিরভাগ বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ (Alipurduar)।

সামনেই ভোট, তার আগে কন্যাশ্রী প্রকল্পে পড়ুয়াদের নাম নথিভুক্ত করতে চাইছেন প্রশাসনের কর্তারা। কন্যাশ্রী প্রকল্পের ডেপুটি ডিরেক্টর অ্যান্ড ডেপুটি কালেক্টর সব্যসাচী রায় বলেন, ‘কন্যাশ্রীর কাজ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই শেষ হওয়ার কথা। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সেইভাবে কাজ করছে।’

এই পরিস্থিতিতে অধিকাংশ স্কুলে কাজ শেষের দিকে হলেও শিক্ষাকর্মীর অভাবে বাকি স্কুলগুলিতে কী হবে, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। সেরকমই একটি স্কুল আলিপুরদুয়ার বালিকা শিক্ষামন্দির। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা কাকলি ভৌমিক বলেন, ‘কন্যাশ্রী প্রকল্প সহ অন্যান্য অফিশিয়াল কাজ একজন ক্লার্ক দক্ষভাবে সামলাতেন। তাঁর চাকরি বাতিল হতেই আমরা সমস্যায় পড়েছি। নির্দিষ্ট সময়ে কাজ কতটা শেষ করা সম্ভব, সেটা বুঝে উঠতে পারছি না।’

বালিকা শিক্ষামন্দিরের মতো আলিপুরদুয়ার শান্তিদেবী হাইস্কুলেও কাজ সামলাচ্ছেন নোডাল শিক্ষকরা। তবে সেই বিদ্যালয়ে পড়ুয়াদের সংখ্যা কম থাকায় তেমন সমস্যা হবে না বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। প্রধান শিক্ষিকা রূপা ঘোষ বলেন, ‘দুই ক্লার্কের চাকরি বাতিল হতেই প্রথমে অফিশিয়াল কাজকর্ম করা নিয়ে সমস্যা তৈরি হয়।’

পড়ুয়ার সংখ্যা বেশি হলেই বিদ্যালয়গুলিতে সমস্যা বেশি। অষ্টম শ্রেণির পড়ুয়াদের নতুন করে নাম নথিভুক্ত করতে হয়। আর বাকিদের নাম রিনিউয়াল হয়। তবে অনেক পড়ুয়া মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকের পর বিভিন্ন কোর্সে ভর্তি হয়। অনেকে বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থায় পড়াশোনা করার জন্য ভিনরাজ্যেও চলে যায়। তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা অনেক সময় সম্ভব হয়ে ওঠে না।

নিউটাউন গার্লস স্কুলের টিচার ইনচার্জ শ্রেয়সী দত্ত বলেন, ‘আমাদের বিদ্যালয়ে অষ্টম শ্রেণি থেকে উচ্চমাধ্যমিক পর্যন্ত আটশোরও বেশি ছাত্রী। কন্যাশ্রী পোর্টালে তাদের নাম নথিভুক্ত করার কাজ চলছে। তবে কয়েকজনের কাগজপত্রজনিত সমস্যার জন্য অনেক সময় দেরি হয়ে থাকে।’

সমস্যা আরও রয়েছে। কোথাও সার্ভারের সমস্যা, কোথাও একাংশের ব্যাংকের বই নেই। এছাড়া অনেকের ব্যাংকের সঙ্গে মোবাইলের লিংক  করা নেই। প্রান্তিক এবং চা বাগান এলাকার অনেকে আবার পরিবারের সঙ্গে ভিনরাজ্যে কাজে চলে যায়। তাদের খোঁজ পাওয়াটাই একটা বড় চ্যালেঞ্জ বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে। অভিযোগ, অনেকসময় কন্যাশ্রীর ফর্ম নিলেও অনেকে তা নির্দিষ্ট সময়ে পূরণ করে জমা দেওয়া হয় না।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *