Kalita Maji | পরিচারিকা থেকে বিধানসভার অলিন্দে, কলিতার জয়ে খুশি আউশগ্রাম

Kalita Maji | পরিচারিকা থেকে বিধানসভার অলিন্দে, কলিতার জয়ে খুশি আউশগ্রাম

ভিডিও/VIDEO
Spread the love


প্রদীপ চট্টোপাধ্যায়, বর্ধমান: আভিজাত্য বা পেশিশক্তি নয়, সাদামাটা জীবন আর লড়াইয়ের অদম্য জেদই শেষ পর্যন্ত জয়ী হলো আউশগ্রামে। বঙ্গ বিজেপির বিধায়ক তালিকায় এখন উজ্জ্বল নাম কলিতা মাজি (Kalita Maji)। পেশায় পরিচারিকা কলিতা এখন পূর্ব বর্ধমানের (Purba Bardhaman) আউশগ্রামের জনপ্রতিনিধি। যাঁর হাতে কয়েকদিন আগেও ছিল পরের বাড়ির বাসন মাজার দায়িত্ব, তিনিই এবার রাজ্য বিধানসভার অলিন্দে পা রাখতে চলেছেন জননেত্রী হিসেবে।

আউশগ্রামের গুসকরা পুরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মাঝপুকুর পাড়ার বাসিন্দা কলিতা মাজি। অতি সাধারণ এই দিনদরিদ্র পরিবারের বধূ ২০২১ সালেও বিজেপির টিকিটে লড়াই করেছিলেন, কিন্তু সেবার অধরা ছিল সাফল্য। তবে বিজেপি নেতৃত্ব এবারও তাঁর ওপরেই ভরসা রেখেছিল। অন্যদিকে, তৃণমূল প্রার্থী করেছিল জেলা পরিষদের দাপুটে সভাধিপতি শ্যামাপ্রসন্ন লোহারকে। শোনা যায়, তৃণমূলের ব্লক সভাপতি আব্দুল লালন পেশিশক্তি ও অর্থবল নিয়ে ময়দানে ঝাঁপিয়েছিলেন, কিন্তু কলিতার মনোবল ভাঙতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত ১ লক্ষ ৭ হাজার ৬৯২ জন মানুষের আশীর্বাদ নিয়ে ১২ হাজার ৫৩৫ ভোটে জয়ী (West Bengal Election End result) হন কলিতা মাজি।

মঙ্গলবার জয়ের পর আবেগঘন গলায় কলিতা বলেন, “আমি গরিব পরিবারের বধূ, তাই গরিবের মর্ম আমি বুঝি। আমি বিধায়ক হয়েছি ঠিকই, কিন্তু তৃণমূলের বিধায়কদের মতো আতিশয্য চাই না। সাধারণ হয়েই থাকতে চাই।” স্বামী এবং উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থী ছেলেকে নিয়ে তাঁর ছোট সংসার। অভাবের দিনে যে সংগ্রাম তিনি করেছেন, তা যেন সাধারণ মানুষের কাজে লাগে— এটাই এখন তাঁর লক্ষ্য।

আউশগ্রামে এখন উৎসবের মেজাজ। পরিচারিকার এই উত্তরণ আসলে গণতন্ত্রের জয় বলেই মনে করছেন স্থানীয়রা। কলিতার সাফ কথা, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও অমিত শা-র মুখ উজ্জ্বল করতে তিনি আউশগ্রামের প্রতিটি মানুষের স্বার্থে কাজ করে যাবেন।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *