Kalita Maji | পরিচারিকার হাত এখন জনসেবায়: আউশগ্রামের নয়া ‘আইকন’ বিধায়ক কলিতা মাজি

Kalita Maji | পরিচারিকার হাত এখন জনসেবায়: আউশগ্রামের নয়া ‘আইকন’ বিধায়ক কলিতা মাজি

ব্যবসা-বাণিজ্যের /BUSINESS
Spread the love


প্রদীপ চট্টোপাধ্যায়,বর্ধমান: বঙ্গ বিজেপির বিধায়ক (MLA) তালিকায় এখন নারী শক্তির জয়জয়কার। তাঁদের মধ্যে যার নাম এই মূহুর্তে সবার মুখে মুখে ঘুরছে তিনি হলেন কলিতা মাজি (Kalita Maji)। পরিচারিকার (Home-Assist) কাজ করে জীবন-জীবিকা নির্বাহ করা পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রামের কলিতা মাজি এখন বিধায়ক। আর কিছু সময় পর রাজ্য বিধানসভার অলিন্দে দাঁড়িয়ে বিধায়ক হিসাবে তিনি শপথ নেবেন। তার প্রাক্কালে জঙ্গলমহল হিসাবে পরিচিত আউশগ্রাম জুড়ে এখন শুধুই চর্চিত হচ্ছে কলিতা মাজির নাম।

দিন দরিদ্র পরিবারের কলিতা মাজি পেশায় পরিচারিকা। আউশগ্রামের গুসকরা পুরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মাঝপুকুর পাড়ায় তাঁর বাড়ি। সেখানকার ১৯৫ নম্বর বুথের ভোটার তিনি। আউশগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রটি বোলপুর লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্ভুক্ত। এটি তপশিলি জাতি সংরক্ষিত আসন। কলিতা মাজি ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে এই আসনে বিজেপি প্রার্থী হয়ে প্রতিদ্বন্দিতা করে পরাজিত হয়েছিলেন। তবু এবারও কলিতা মাজির উপরেই ভরসা রাখে বিজেপি। স্বামী ও এক ছেলেকে নিয়ে কলিতা মাজির সংসার। ছেলে পার্থ এ বছর উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়েছে।

বিধানসভা নির্বাচন ঘোষণা হওয়ার পর গত ১৬ মার্চ বিজেপি নেতৃত্ব তাঁদের আউশগ্রামের  প্রার্থী হিসাবে কলিতা মাজির নাম ঘোষণা করে। নাম ঘোষণা হওয়ার সাথে সাথেই দলের নেতা ও কর্মীদের সঙ্গে তিনি প্রচারে বেরিয়ে পড়েন। তাঁর বিপক্ষে তৃণমূল প্রার্থী করেছিল পূর্ব বর্ধমান জেলাপরিষদের সভাধিপতি শ্যামাপ্রসন্ন লোহারকে। তৃণমূল প্রার্থীকে জয়ী করার জন্য আউশগ্রাম ব্লক তৃণমূলের সভাপতি আব্দুল লালন সর্বশক্তি নিয়ে ভোটের ময়দানে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন। পেশি শক্তি ও অর্থবল সবের মিশেল ঘটিয়েও বিজেপি প্রার্থী কলিতা মাজি ও তাঁর দলের সতীর্থদের মনোবল ভাঙতে পারেননি লালন। শেষ পর্যন্ত ১ লক্ষ ৭ হাজার ৬৯২ আউশগ্রামবাসীর ভোট পেয়ে কলিতা মাজি শেষ হাসি হাসেন। তিনি ১২ হাজার ৫৩৫ ভোটে তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী তৃণমূল প্রার্থী শ্যামাপ্রসন্ন লোহারকে পরাজিত করেন।

এই প্রসঙ্গে কলিতা মাজি বলেন, “আমি গরিব পরিবারের একজন বধূ। তাই গরিবের মর্ম আমি বুঝি। আজ আমি বিধায়ক হয়েছি ঠিকই। তবে আমি তৃণমূলের বিধায়কদের মতো হতে চাই না, চাইনা আতিশয্য। আমি আউশগ্রামের সকল মানুষজনের হয়ে, তাঁদের ভালোর জন্য কাজ করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও অমিত শা-জির মুখ উজ্জ্বল করতে চাই।”



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *