Kali Puja | উৎসবের নিরাপত্তায় নবান্নের কড়া নজর, কালীপুজো ও ছট পরিচালনায় মন্ত্রীদের কাঁধে বিশেষ দায়িত্ব

আন্তর্জাতিক INTERNATIONAL
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্ক: দুর্গাপুজোর সময় ঘটে যাওয়া অনভিপ্রেত ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে কালীপুজো (Kali Puja), জগদ্ধাত্রী পুজো (Jagaddhatri Puja) এবং ছট উৎসবের (Chhath Puja) দিনগুলিতে কঠোর নিরাপত্তা বলয় গড়ে তুলতে উদ্যোগী হয়েছে রাজ্য প্রশাসন। বুধবার মন্ত্রিসভার গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) জেলাগুলির শীর্ষকর্তা এবং মন্ত্রীদের নিয়ে একটি উচ্চপর্যায়ে পর্যালোচনা সভা করেন। উৎসবের এই দিনগুলোতে আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা যাতে কোনওভাবেই বিঘ্নিত না হয়, তার জন্য মন্ত্রিসভার সহকর্মীদের নিজ নিজ এলাকায় উপস্থিত থাকার কড়া নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। অতিরিক্ত জনসমাগম হয় এমন পুজোমণ্ডপগুলোর ওপর লাগাতার নজরদারি চালাতে এবং নিয়মিত এলাকা পরিদর্শনে নামতে বলা হয়েছে। প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনায় ভারসাম্য রাখতে বিভিন্ন জেলার তদারকির দায়িত্ব নির্দিষ্ট মন্ত্রীদের মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হয়েছে।

এদিকে আতশবাজি পোড়ানোর ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশিকা এবং পরিবেশ সংক্রান্ত যাবতীয় নিয়মকানুন নিখুঁতভাবে পালন করতে তৎপর হয়েছে প্রশাসন। পশ্চিমবঙ্গ দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদ ও দমকল দপ্তরের সক্রিয় সহযোগিতায় স্বরাষ্ট্রসচিব সঙ্ঘমিত্রা ঘোষ একটি সুনির্দিষ্ট এসওপি বা স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিয়র তৈরি করবেন। পাশাপাশি, বাংলার সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরতে চন্দননগর ও নদীধারার শান্তিপুরের জগদ্ধাত্রী পুজো এবং রাস উৎসবকে ঘিরে বিশেষ সৌন্দর্যায়নের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এই সুদৃশ্য রূপরেখা দ্রুত চূড়ান্ত করতে পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল, তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী পূর্ণিমা চক্রবর্তী এবং ওই দপ্তরের সচিব সৌমিত্র মোহনকে বিশেষ দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে। শীঘ্রই তাঁরা সংশ্লিষ্ট জেলাগুলির প্রশাসনের সঙ্গে সরাসরি আলোচনায় বসবেন।

উত্তর ২৪ পরগনার নৈহাটি ও বারাসত, উত্তর কলকাতা এবং পূর্ব মেদিনীপুরের তমলুকের মতো ঐতিহ্যবাহী অঞ্চলগুলিতে কালীপুজো উপলক্ষে প্রচুর মানুষের সমাগম ঘটে। এই অঞ্চলগুলিতে যাতে ভিড় নিয়ন্ত্রণের সমস্যা তৈরি না হয়, তার জন্য পৃথকভাবে মন্ত্রীদের দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছে। অন্যদিকে, চন্দননগর ও কৃষ্ণনগরের জগদ্ধাত্রী উৎসব এবং কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, পশ্চিম বর্ধমান, ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চল ও কলকাতার বিভিন্ন প্রান্তে ছটপুজোকে কেন্দ্র করে বিশেষ নজরদারির ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে। তবে ছটপুজো উপলক্ষে নদীঘাটগুলির বর্তমান পরিকাঠামো নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। দীর্ঘ ৪৯ বছরেও নতুন করে কোনও ঘাট তৈরি না হওয়ার প্রসঙ্গ তুলে তিনি জানান, বালি পাচারকারীদের অবৈধ দৌরাত্ম্যের কারণে পশ্চিম বর্ধমানের ছটঘাটগুলির পরিস্থিতি বর্তমানে অত্যন্ত বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *