Jute mill staff to get Puja bonus in September, Arjun singh requires remodeling Bengal into Gujarat

জীবনযাপন/LIFE STYLE
Spread the love


বাংলা কেন গুজরাটের মতো হবে না? শিল্প, কর্মসংস্থান ও ভয়মুক্ত পরিবেশকে সামনে রেখে বাংলাকে গুজরাটের আদলে গড়ে তোলার ডাক দিলেন বিজেপি নেতা তথা মন্ত্রী অর্জুন সিং। বুধবার জগদ্দলে নিজের বাড়িতে বারাকপুর সাংগঠনিক জেলার সাংবাদিক বৈঠকে তাঁর বক্তব্য, ‘‘বাংলার মানুষ চায় বাংলা গুজরাটই হোক।’’ অন্যদিকে সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে সব জুটিমিলের শ্রমিককে পুজোর বোনাস দেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি।

গুজরাটের উন্নয়নের উদাহরণ দিয়ে অর্জুন বলেন, একসময় চাষাবাদ ও বৃষ্টির সমস্যায় থাকা রাজ্যটি এখন শিল্প ও বিনিয়োগের অন্যতম গন্তব্য। তাঁর প্রশ্ন, ‘‘ভালো জিনিস অনুসরণ করা যাবে না?’’ বাংলায় শিল্প আনার পাশাপাশি পরিযায়ী শ্রমিকদের বাইরে যাওয়া ঠেকানো এবং সরকারি প্রকল্পের সুবিধা মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার উপরেও জোর দেন তিনি। তাঁর মতে, এই পরিবর্তনের জন্য প্রয়োজন ভয়মুক্ত পরিবেশ। এই বক্তব্যের প্রসঙ্গেই বাংলার বাম ও তৃণমূলের দীর্ঘ শাসনকে নিশানা করেন অর্জুন। তাঁর অভিযোগ, ওই আমলে রাজ্যের শিল্প, শিক্ষা ও সংস্কৃতির ক্ষতি হয়েছে। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে তাঁর কটাক্ষ, প্রতিষ্ঠানটি এখন ‘‘নেশার আখড়া’’। কমিউনিস্টরা প্রতিষ্ঠানটিকে নষ্ট করেছে এবং তৃণমূল সেই পরিস্থিতি আরও বাড়িয়েছে।

আরও পড়ুন:

‘‘সিপিএম আছে কোথায়?’’—প্রশ্ন তুলে তাদের অস্তিত্ব কার্যত যাদবপুরের মধ্যেই সীমাবদ্ধ বলেও কটাক্ষ করেন মন্ত্রী। খাদ্য নিরাপত্তা নিয়েও আক্রমণ করেন বিজেপি নেতা। পচা মাংস খেয়ে অসুস্থ হওয়ার প্রসঙ্গে তাঁর অভিযোগ, ‘‘ফুড সেফটি ডিপার্টমেন্ট তো আগে ঘুমিয়েই ছিল।’’ তাঁর দাবি, বর্তমান প্রশাসন ব্যবস্থা নিচ্ছে বলেই অনিয়মগুলি সামনে আসছে। রেজিনগর ও নন্দীগ্রামের উপনির্বাচনে বিজেপির জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী অর্জুন। তাঁর দাবি, ‘‘দুটোই ব্যাপক মার্জিনে জিতব।’’ রেজিনগরে মুসলিম ভোটারের সংখ্যা বেশি—এই প্রশ্নে বেলডাঙার উদাহরণ টেনে তাঁর বক্তব্য, ‘‘বেলডাঙায় তো ৮০ শতাংশ মুসলমান ছিল, জিতিনি আমরা?’’

অন্যদিকে, পশ্চিমবঙ্গের জুট শিল্পের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে বুধবার শ্রম দপ্তরে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেন শ্রমমন্ত্রী অর্জুন সিং। তিনি সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে জুট মিলগুলিকে শ্রমিকদের বোনাস প্রদানের নির্দেশ দেন। পুজোর পর মজুরি ও নতুন চুক্তি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার আশ্বাস দেন ইউনিয়নগুলিকে। দুর্গাপুজোর আগে যাতে শ্রমিকরা সময়মতো বোনাস পান, তা নিশ্চিত করতেই এই সিদ্ধান্ত নেন মন্ত্রী।

পাশাপাশি, সমস্ত ট্রেড ইউনিয়নের কাছে মিলগুলি সচল রাখতে সহযোগিতা করার আবেদন জানান মন্ত্রী। তিনি আশ্বস্ত করেন, শ্রমিকদের বোনাস, নতুন চুক্তি এবং অন্যান্য দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত বিষয়গুলি নিয়ে পুজোর ছুটির পরে আলোচনা হবে। রাজ্যের প্রতিটি জুট মিলকে সচল রাখাই তাঁর লক্ষ্য।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *