Jateswar | নেই নিরাপত্তারক্ষী, আলোর ব্যবস্থা! জটেশ্বর মার্কেট কমপ্লেক্স নিয়ে চিন্তায় কৃষকরা

Jateswar | নেই নিরাপত্তারক্ষী, আলোর ব্যবস্থা! জটেশ্বর মার্কেট কমপ্লেক্স নিয়ে চিন্তায় কৃষকরা

শিক্ষা
Spread the love


শান্ত বর্মন, জটেশ্বর: জটেশ্বর বাজারে আলিপুরদুয়ার জেলা পরিষদের উদ্যোগে তৈরি হওয়া মার্কেট কমপ্লেক্সে নেই আলোর ব্যবস্থা ও নৈশপ্রহরী (Jateswar)। নিরাপত্তার অভাবে অনেক সময়ই সেখানে কাঁচামাল চুরি যাওয়ার অভিযোগ উঠছে। পর্যাপ্ত আলো না থাকায় রাতে রেখে যাওয়া কাঁচামাল নিয়ে দুঃশ্চিন্তায় রয়েছেন কৃষকরা। প্রশাসন যাতে আলো এবং নিরাপত্তারক্ষীর ব্যবস্থা করে, সেই দাবি জানিয়েছেন মার্কেট কমপ্লেক্সে কাঁচামাল বিক্রি করতে আসা কৃষকরা। এবিষয়ে হরিনাথপুরের কৃষক দীপঙ্কর অধিকারী বলেন, ‘দুর্গাপুজোর আগে একদিন আমি পটলের ব্যাগ রেখে বাড়ি চলে এসেছিলাম। পরদিন সকালে গিয়ে দেখি, দুটি ব্যাগ খোয়া গিয়েছে।’

মার্কেট কমপ্লেক্সটি জটেশ্বর-বীরপাড়া জাতীয় সড়কের ধারে জটেশ্বর হাসপাতালপাড়া এলাকায় অবস্থিত। সেখানে প্রতিদিন সবজি ও কাঁচামাল কেনাবেচা চলে। কমপ্লেক্সটি চালু হওয়ার সময় আলোর ব্যবস্থা ও দুজন নৈশপ্রহরী নিয়োগ করা হয়েছিল। কিন্তু শুরু হওয়ার প্রথম ৬ মাস সব ঠিকঠাক চললেও বেতন না পাওয়ার অভিযোগে দুই নৈশপ্রহরীই কাজ ছেড়ে দেন। ধীরে ধীরে কমপ্লেক্সের আলোও বিকল হয়ে যায়। বাতিস্তম্ভের  পিলারও ভেঙে পড়ে। তারপর কমপ্লেক্সে আর আলো মেরামত করা হয়নি। মাসছয়েক আগে সেখানে কয়েকটি  সিসি ক্যামেরা লাগানো হলেও তা দিয়ে নিরাপত্তার কাজ সঠিকভাবে হচ্ছে না বলেই অভিযোগ।

জটেশ্বরের একমাত্র সবজি ও কাঁচামাল বিক্রিবাটার জন্য গড়ে ওঠা এই মার্কেট কমপ্লেক্সে প্রতি সন্ধ্যায় কৃষকরা গাড়ি, টোটো ও ভ্যানবোঝাই করে তাঁদের ফসল নিয়ে আসেন। ভোরের আলো ফোটার আগেই আবার তাঁরা মার্কেট কমপ্লেক্স চলে আসেন। আলো না থাকার দরুন মার্কেট কমপ্লেক্সে কাঁচামাল রেখে যাওয়ার পর রাতগুলি দুশ্চিন্তা নিয়ে কাটাতে হয় বলে জানান কৃষকরা।

নবনগরের কৃষক গৌতম রায় বলেন, ‘আমার দেখা বহু কৃষকের ব্যাগ এভাবে রাতের অন্ধকারে হারিয়ে গিয়েছে। মার্কেট কমপ্লেক্সে আলো ও নিরাপত্তারক্ষী না থাকার ফলে এরকম ঘটনা প্রায়দিনই ঘটে চলেছে।’ খগেনহাটের বাসিন্দা ইন্দ্রজিৎ দাস বলছেন, ‘আমি টোটোবোঝাই করে টমেটো নিয়ে মার্কেট কমপ্লেক্সে আসি। এখানে আলোর ব্যবস্থা না থাকায় সারারাত ধরে মালের পাহারা দিতে হয়। শীঘ্রই একজন নিরাপত্তারক্ষী নিয়োগের প্রয়োজন রয়েছে।’ জটেশ্বর ১ গ্রাম পঞ্চায়েতের ৬৪ নম্বর অংশের পঞ্চায়েত সদস্য  সাদ্দাম হোসেন বলেন, ‘এর আগে আলো, জল ও নাইট গার্ডের ব্যবস্থা ছিল। নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিত করার জন্য পঞ্চায়েত প্রধানকে জানাব।’ জেলা পরিষদ সভাধিপতি স্নিগ্ধা শৈব বিষয়টি দ্রুত দেখার আশ্বাস দিয়েছেন।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *