Jalpaiguri | হোর্ডিংয়ের বিপজ্জনক ছেঁড়া অংশ নিয়ে দুশ্চিন্তা, প্রশাসনের উদাসীনতায় আতঙ্কে দিন কাটছে শহরবাসীর

Jalpaiguri | হোর্ডিংয়ের বিপজ্জনক ছেঁড়া অংশ নিয়ে দুশ্চিন্তা, প্রশাসনের উদাসীনতায় আতঙ্কে দিন কাটছে শহরবাসীর

শিক্ষা
Spread the love


অনীক চৌধুরী, জলপাইগুড়ি: শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় বড় বড় হোর্ডিং টাঙায় নামীদামি কোম্পানি। কখনও কয়েক মাসের জন্য আবার কখনও সারাবছরের জন্য বিজ্ঞাপনগুলি থেকে যায়। কিন্তু গত এক সপ্তাহ ধরে হওয়া ঝড়ের দাপটে বড় বড় হোর্ডিং ছিঁড়ে বিপজ্জনক অবস্থায় তা ঝুলতে দেখা যাচ্ছে। ফলে যে কোনও সময় সেগুলি ভেঙে পড়ে বিপদের আশঙ্কা করছেন শহরবাসী (Jalpaiguri)। কদমতলা মোড় থেকে শুরু করে বেগুনটারি, দেশবন্ধুপাড়া, শান্তিপাড়া, পরেশ মিত্র কলোনি সহ বিভিন্ন অঞ্চলে একই ছবি। শান্তিপাড়া মোড়ে একটি ফ্লেক্সের কিছুটা অংশ ছিঁড়ে ঠিক বিদ্যুতের তারের ওপরে বিপজ্জনকভাবে ঝুলছে। যদিও সাধারণ মানুষের আশঙ্কার কথা পুরোপুরি উড়িয়ে দেয়নি পুরসভা। পুরসভার চেয়ারম্যান সৈকত চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘ছেঁড়া হোর্ডিংয়ের বিষয়টি নজরে এসেছে। দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থাকে চিঠি দিয়ে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বলা হবে। ওরা যদি না ঠিক করে, তাহলে পুরসভা সাধারণ মানুষের হিতের কথা ভেবে সিদ্ধান্ত নেবে।’ পাশাপাশি পুরসভার দাবি, নিয়মিত হোর্ডিংগুলির কাঠামোর অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা হয়।

গত মঙ্গলবার রাতের ঝড়েও কিছু জায়গায় পোস্টার, হোর্ডিং ছিঁড়ে বিভিন্ন বিদ্যুতের তারের উপর পড়েছিল। বিদ্যুৎ দপ্তর ও পুরসভার তরফে সেগুলি সরিয়ে নেওয়া হলেও ছিঁড়ে যাওয়া বড় হোর্ডিংগুলি নিয়ে সংশয় যাচ্ছে না। ডিবিসি রোডের এক বহুতলে ঝড়ের দাপটে দুমড়েমুচড়ে গিয়েছে একটি হোর্ডিং। তার মধ্যে প্রায় প্রতিদিনই ঝোড়ো হাওয়া কিংবা ঝড়ের ভ্রূকুটি থাকছে। অন্যদিকে, হোর্ডিং লাগানোর লোহার কাঠামোটিরও বেহাল দশা। শহরবাসীর অভিযোগ, এই বড় বড় হোর্ডিং রক্ষণাবেক্ষণে নজর রাখছে না প্রশাসন। বেশিরভাগ কাঠামোয় মরচে পড়ে গিয়েছে।

এক ব্যবসায়ী সুদীপ রায়ের কথায়, ‘শহরজুড়ে যে বড় বড় কোম্পানির হোর্ডিং রয়েছে, তার জন্য ট্যাক্স নিচ্ছে পুরসভা। কিন্তু, ঝড়ে ছিঁড়ে যাওয়া হোর্ডিং সরানো কিংবা পুনরায় লাগানোর ক্ষেত্রে কেন তারা কিছু করছে না সেটা বোঝা মুশকিল।’ আবার আরেক প্রবীণ নাগরিক সৌরভ বিশ্বাস বলেন, ‘হোর্ডিংয়ের এই লোহার কাঠামোগুলি প্রায় ২০ বছর ধরে দেখছি। কিন্তু এগুলি কোনওদিন সারাই করতে দেখিনি। তাছাড়া ঝড়-বাদলার দিন। হোর্ডিংগুলি ছিঁড়ে ঝুলছে। যে কোনও সময় বিপদ ঘটতে পারে।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *