Jalpaiguri | শর্টকাট যেতে ভুল লেনে অবাধে গাড়ি, বাড়ছে দুর্ঘটনার আশঙ্কা

Jalpaiguri | শর্টকাট যেতে ভুল লেনে অবাধে গাড়ি, বাড়ছে দুর্ঘটনার আশঙ্কা

শিক্ষা
Spread the love


অনীক চৌধুরী, জলপাইগুড়ি: ট্রাফিক পুলিশের নজর এড়িয়ে জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) শহর ছুঁয়ে যাওয়া ২৭ ডি জাতীয় সড়কের বিস্তীর্ণ অংশের ভুল লেনে অবাধে চলছে যান চলাচল। সামান্য শর্টকাটের কারণে অনেকে নির্দিষ্ট লেন ভেঙে উলটো দিক দিয়েই যানবাহন নিয়ে ঢুকে পড়ছেন ভুল লেনে। অভিযোগ, ট্রাফিক পুলিশের প্রচার বা নজরদারিতেও এই প্রবণতা বন্ধ হচ্ছে না কোনওমতে। ফলে দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে ২৭ ডি জাতীয় সড়কের বিস্তীর্ণ অংশে। গুরুত্বপূর্ণ এই জাতীয় সড়কের মোড়গুলিতে যেখানে ট্রাফিক পুলিশ মোতায়েন থাকে, সেই সমস্ত এলাকায় এই প্রবণতা অনেকটা কম হলেও বাকি বিস্তীর্ণ সড়কে এই ছবি নিত্যদিনের।

নির্দিষ্ট লেনের বিপরীত দিকে থাকা ছোটখাটো লিংক রোডগুলি থেকে মোটরবাইক বা টোটোকে কিছুটা পথ উলটো দিকে গিয়ে ট্রেসপাসিং করতে দেখা যাচ্ছে হামেশাই। চালকদের এই শর্টকাটের প্রবণতার জন্য এর আগেও একাধিক দুর্ঘটনা ঘটেছে। জলপাইগুড়ির ডিএসপি (ট্রাফিক) অরিন্দম পাল চৌধুরীর কথায়, ‘এটা শহর এবং শহর সংলগ্ন মানুষের একটা ভয়ংকর প্রবণতা। পুলিশ তার কাজ যথার্থভাবেই করে চলেছে। প্রচারও চালানো হচ্ছে। নিজেদের এবং পথে চলা অন্য যাত্রীদের প্রাণের ঝুঁকির কথা মাথায় রেখে যাঁরা এই কাজ করছেন তাঁদের সচেতন হতেই হবে। এরপরও যদি চালকরা সচেতন না হন, তাহলে আমরা ফাইন করতে বাধ্য হব।’

পুলিশ সূত্রে খবর, কোনও মানুষের প্রাণ না গেলেও বিগত তিন মাসে অন্তত ৪টি দুর্ঘটনা ঘটেছে এই জাতীয় সড়কে। প্রতি ক্ষেত্রেই ভুল লেনে গাড়ি বা বাইক নিয়ে যাওয়ার তথ্য এসেছে সামনে। বর্তমানে বৃষ্টির মরশুমে রাস্তা পিছল থাকে। আবার অনেক সময় ভারী বৃষ্টির কারণে দৃশ্যমানতা কমে যাওয়ায় উলটো দিকের লেন ধরে যানবাহন চলাচল করলে দুর্ঘটনার সম্ভাবনাও বাড়ছে। নিশীথ রায় নামে কলেজ মোড়ের এক দোকানি বলেন, ‘লেন না মেনে উলটো দিকে চলাচলকারী বাইক, টোটোচালকদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করা দরকার। এরা নিজেদের জীবনের পাশাপাশি বিপরীত দিক থেকে আসা যাত্রীদের জীবনও সংশয়ে ফেলছেন।’

জলপাইগুড়ি ট্রাফিক পুলিশের দাবি, তারা সবসময় তৎপর। ভুল লেনে চলাচলকারী গাড়িচালকদের জরিমানাও করা হয়। এখানেই শেষ নয়, ভুল লেনে ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত কতটা বিপজ্জনক হতে পারে সেটা নিয়েও চালকদের সচেতন করা হয়। কিন্তু তারপরও মাঝে মাঝেই এই ধরনের ছবি চোখে পড়ে, যা কোনওদিনই কাম্য নয়।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *