শুভদীপ শর্মা ও সৌরভ দেব, লাটাগুড়ি ও জলপাইগুড়ি: গোপন তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ সংক্রান্ত দক্ষতা বাড়াতে এবার পুলিশের কাছ থেকে প্রশিক্ষণ নেবেন বনকর্মীরা। পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের বন্যপ্রাণ, বিশেষ করে গন্ডার সংরক্ষণে যৌথভাবে কাজ করবে পুলিশ ও বন দপ্তর। গত চার বছরে উত্তরবঙ্গে চোরাকারবারিদের হাতে কোনও গন্ডার শিকার না হওয়া ইতিবাচক হলেও, বিধানসভা নির্বাচনের সময় চোরাশিকারি বা বন্যপ্রাণ পাচারচক্র যাতে নতুন করে সক্রিয় হয়ে উঠতে না পারে, সেজন্য যৌথ নজরদারি আরও জোরালো করার পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে। এমন বিষয়গুলিকে সামনে রেখেই শুক্রবার জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) পুলিশলাইনের কনফারেন্স রুমে পুলিশ প্রশাসন ও বন দপ্তরের কর্তাদের উচ্চপর্যায়ের একটি যৌথ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন আইজিপি (নর্থবেঙ্গল), জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারের পুলিশ সুপার, বন দপ্তরের উত্তরবঙ্গের মুখ্য বনপাল (বন্যপ্রাণ), উত্তর মণ্ডলের বনপাল সহ তিন জেলার একাধিক বনাধিকারিক।
বন দপ্তরের উত্তরবঙ্গের মুখ্য বনপাল (বন্যপ্রাণ) ভাস্কর জেভি বলেন, ‘পুলিশের সাহায্যে বনকর্মীদের বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে, যাতে তাঁরা গোপন তথ্য সংগ্রহে আরও দক্ষ হয়ে উঠতে পারেন। পাশাপাশি, বিভিন্ন বনাঞ্চল ও সংলগ্ন এলাকায় পুলিশ ও বন দপ্তরের যৌথ টহলদারি চালানোরও সিদ্ধান্ত হয়েছে।’ জলপাইগুড়ির পুলিশ সুপার ওয়াই রঘুবংশী বলছেন, ‘বন দপ্তরের প্রয়োজনে পুলিশ সর্বতোভাবে সহযোগিতা করবে। যৌথ টহলদারি বাড়ানো এবং বনকর্মীদের ইন্টেলিজেন্স সংক্রান্ত প্রশিক্ষণের বিষয়েও বৈঠকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়েছে।’
