Jalpaiguri | আজ সকালে স্কুল, জানেন না অভিভাবকরা

Jalpaiguri | আজ সকালে স্কুল, জানেন না অভিভাবকরা

ব্যবসা-বাণিজ্যের /BUSINESS
Spread the love


শুভাশিস বসাক ও শুভজিৎ দত্ত, ধূপগুড়ি ও নাগরাকাটা: সোমবার ভোটগণনার দিন (WB Election Consequence 2026) জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) জেলার প্রাথমিক স্কুলগুলি সকাল থেকে চালু হবে। এ বিষয়ে শনিবার বিকালে জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদ (ডিপিএসসি) থেকে নির্দেশিকা জারি করা হয়। কিন্তু ততক্ষণে বেশিরভাগ স্কুল ছুটি হয়ে গিয়েছিল। তাই অভিভাবকরা সময়মতো খবর পাননি। পরে তাঁদের অনেকে বিষয়টি জানতে পারেন। তবে যেহেতু অভিভাবকদের বেশিরভাগই বিষয়টি নিয়ে অবগত নন, তাই সেদিন কত সংখ্যক পড়ুয়া স্কুলে হাজির থাকবে তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। কী কারণে এ নিয়ে সময়মতো পদক্ষেপ করা হয়নি সেই প্রশ্ন জোরালো হয়েছে।

ধূপগুড়ির এক অভিভাবক পূর্ণিমা রায়ের কথায়, ‘গণনার দিন স্কুল খোলা থাকবে কি না, তা নিয়ে সংশয় ছিল। পরে এনিয়ে দপ্তর থেকে বিশেষ নির্দেশিকা জারি করা হয় বলে খবর পাই। আমি না হয় আমার সন্তানকে সেদিন স্কুলে পাঠাব। কিন্তু সেদিন যে স্কুল খোলা থাকবে তা তো অনেক অভিভাবকই জানেন না। ফলে তাঁদের সন্তানদের ওইদিন স্কুল মার যাবে।’ যাদের কাছে মিড–ডে মিল অনেকটা গুরুত্বপূর্ণ, তাদের ক্ষেত্রে সমস্যা বাড়ছে। সেদিন স্কুলে না যাওয়ায় পড়ুয়ারা মিড–ডে মিল থেকে বঞ্চিত থাকবে।

ধূপগুড়ির গারোখুটা ৩ নম্বর বিএফপি স্কুলের প্রধান শিক্ষক দেবতোষ চট্টোপাধ্যায়ের বক্তব্য, ‘যে সময় ওই নির্দেশিকা আমাদের হাতে আসে, তখন তা অভিভাবকদের জানানো মোটেই সম্ভব ছিল না।’ এ বিষয়ে জলপাইগুড়ি জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক (প্রাথমিক) শ্যামল রায়ের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তঁার প্রতিক্রিয়া, ‘এ বিষয়ে ভিলেজ এডুকেশন কমিটি (ভিইসি)-র তরফে অভিভাবকদের ফোন বা মেসেজ করে জানানোর উদ্যোগ নেওয়া হলে সমস্যা মেটানো যেত।’

জলপাইগুড়ি জেলার বেশিরভাগ প্রাথমিক স্কুল সকাল সাড়ে ১০টায় চালু হয়ে বেলা সাড়ে ৪টা পর্যন্ত চলে। প্রাথমিক স্কুলগুলির যেগুলি হাইস্কুলের সঙ্গে যুক্ত সেগুলি অবশ্য সকালের দিকে চলে। গণনার দিন সমস্ত প্রাথমিক স্কুলই সকাল সাড়ে ৬টা থেকে শুরু হয়ে বেলা ১১টা পর্যন্ত চলবে বলে জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদ শনিবার বিকেলে নির্দেশিকা জারি করে। কিন্তু যে সময়ে এই নির্দেশিকা জারি করা হয় তাতে অনেকেই এ বিষয়ে জানতে পারেননি বলে অভিযোগ। এর জেরে অনেকেই সমস্যায় পড়েছেন। চা বাগান এলাকার দিকে যাঁদের বসবাস, তাঁদের সমস্যা বেশি। সোমবার স্কুল খোলা থাকবে বলে শেষমুহূর্তে জানতে পারার পর কী করে সময়মতো সন্তানদের স্কুলে পাঠানো যাবে বলে অভিভাবকদের অনেকের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে। এনিয়ে নাগরাকাটার কাঁঠালধুরা চা বাগানের অভিভাবক ভবেশ শৈব্যর মতো অনেকেই তাঁদের আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন। পাশাপাশি, স্কুলে গেলেও পড়ুয়ারা আদৌ উপস্থিত থাকবে কি না, তা নিয়ে শিক্ষক–শিক্ষিকাদেরও সংশয় রয়েছে। ডিপিএসসি’র তরফে সময়মতো উদ্যোগ নেওয়া হলে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হত না বলে তাঁদের অনেকেরই ধারণা।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *