উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্কঃ মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা ফের তুঙ্গে। শুক্রবার সকালেই ইরানের রাজধানী তেহরান ও সংলগ্ন এলাকায় ভয়াবহ বিমান হানা চালিয়েছে ইজরায়েল। সূত্রের খবর, এই হামলার মূল লক্ষ ছিল ইরানের পরমাণু ও সামরিক ঘাঁটিগুলি।
ইরানের সরকারি সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, এই হামলায় নিহত হয়েছেন ইরানের সেনাবাহিনী রেভলিউশনারি গার্ডের প্রধান হোসেন সালামি। পশ্চিম তেহরানে বিস্ফোরণের পর আকাশে ঘন কালো ধোঁয়ার ছবি ধরা পড়েছে। তবে আক্রান্ত এলাকাগুলিতে পরমাণু কেন্দ্র রয়েছে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।
এই প্রসঙ্গে ইজরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইজরায়েল কাটজ জানিয়েছেন, আত্মরক্ষার অধিকারের স্বার্থেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। হামলার মূল লক্ষ্য ছিল পরমাণু ঘাঁটি। তবে সুনির্দিষ্ট কোন কোন এলাকায় হামলা চালানো হয়েছে সে সম্পর্কে কিছু বলেননি তিনি।
এই হামলার পরপরই মুখ খুলেছে আমেরিকা। মার্কিন বিদেশসচিব মার্কো রুবিয়ো বিবৃতি দিয়ে জানান, “এই পদক্ষেপ ইজরায়েলের একতরফা। আমাদের সেনা কোনওভাবে এতে জড়িত নয়।” তিনি আরও বলেন, “আমাদের অগ্রাধিকার এখন মার্কিন সেনাবাহিনীর সুরক্ষা। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প প্রয়োজন হলে উপযুক্ত ব্যবস্থা নিতে প্রস্তুত।” ইরান যেন ভুলেও মার্কিন স্বার্থের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনও কিছুর ওপরে হামলা না চালায়, এই মর্মে কড়া বার্তা পাঠিয়েছে ওয়াশিংটন। এই হামলা শুধু ইজরায়েল-ইরান দ্বন্দ্ব নয় বরং গোটা অঞ্চলের স্থিতিশীলতার ক্ষেত্রে একটি বড় ঘটনা বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
