Indranil Sen | ‘আমি রাজনীতিবিদ নই, শিল্পী’, রাজনীতির ময়দান ছেড়ে গানের আঙিনায় ইন্দ্রনীল সেন

Indranil Sen | ‘আমি রাজনীতিবিদ নই, শিল্পী’, রাজনীতির ময়দান ছেড়ে গানের আঙিনায় ইন্দ্রনীল সেন

শিক্ষা
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্ক: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) স্নেহভাজন ও চন্দননগরের প্রাক্তন বিধায়ক ইন্দ্রনীল সেন (Indranil Sen) এবার স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, ভোট-রাজনীতি থেকে তিনি নিজেকে সরিয়ে নিচ্ছেন। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে রাজনীতির ময়দান ছেড়ে পুরোপুরি গানের জগতে ফেরার ইঙ্গিত দিয়েছেন এই শিল্পী-রাজনীতিবিদ।

দীর্ঘদিন প্রশাসনিক প্রধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ মহলে দেখা গেছে ইন্দ্রনীলকে। গানের জগত থেকে রাজনীতিতে এসে চন্দননগরের বিধায়ক ও রাজ্যের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। তবে এবারের বিধানসভা নির্বাচনে চন্দননগরে বিজেপির জয়ের পর থেকেই ইন্দ্রনীলের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা জল্পনা শুরু হয়। বিশেষ করে সরকার বদলের পর তৃণমূলের অনেক হেভিওয়েট নেতার দেখা না মেলায় নিচুতলার কর্মীদের মনে প্রশ্ন উঠেছিল। সেই জল্পনার জবাব দিতে গিয়েই ইন্দ্রনীল সেন জানালেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ থাকলেও, আপাতত তিনি গান ও শিল্পচর্চায় মনোনিবেশ করতে চান।

ইন্দ্রনীল বলেন, “আমি রাজনীতিতে রয়েছি, কিন্তু আমি রাজনীতিবিদ নই। বাংলার মানুষ আমাকে গায়ক ও শিল্পী হিসেবে চেনে। দল আমাকে সম্মান দিয়েছে, বিধায়ক করেছে, আমি তা উপভোগ করেছি।” হার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমি আপ্রাণ চেষ্টা করেছি। কিছু পেরেছি, অনেকটা পারিনি। কাউকে দোষারোপ করব না।”

ভবিষ্যতে আর ভোটে লড়বেন কি না— এই প্রশ্নের জবাবে ইন্দ্রনীল সেন স্পষ্ট করেন, “আমি আর ভোট রাজনীতিতে থাকব না। বিশেষ করে চন্দননগরের ঘটনার পর আমার কাছে রাজনীতি নিয়ে অনেক কিছু পরিষ্কার হয়ে গেছে। শিল্পীরা সংবেদনশীল মানুষ, ছোটখাটো ঘটনায় তারা প্রভাবিত হন।” যদিও দলের সাথে সংযোগ থাকবে কি না, সে প্রশ্নে তিনি জানান, রাজনৈতিক মতপার্থক্য নির্বিশেষে সবার সাথেই তাঁর আত্মিক যোগাযোগ অটুট থাকবে। আপাতত গান-বাজনা ও শিল্পচর্চার মাধ্যমেই জনগণের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখতে চান এই শিল্পী।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *