উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্কঃ ইন্দোরের ভগীরথপুরা এলাকায় পানীয় জলের লাইনে মানুষের মল-মূত্র মেশার ফলে প্রাণ হারিয়েছেন শিশু সহ অন্তত ১০ জন। আর এই ভয়াবহ ঘটনার (Indore Water Tragedy) কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে একটি পুলিশ ফাঁড়ির অবৈধভাবে নির্মিত শৌচাগার! স্থানীয়দের অভিযোগ, “আমরা জল নয়, কল থেকে সরাসরি বিষ পান করেছি।”
অভিযোগ উঠছে, ভগীরথপুরা পুলিশ ফাঁড়ির শৌচাগারটি তৈরির সময় সঠিকভাবে সেপটিক ট্যাঙ্কই বানানো হয়নি। আর ঠিক সেই শৌচাগারের পাইপলাইনের নীচ দিয়েই গিয়েছে এলাকার প্রধান পানীয় জলের পাইপলাইন। পাইপলাইনে ফাটল থাকায় শৌচাগারের বর্জ্য সরাসরি চুঁইয়ে মিশেছে সরবরাহ করা পানীয় জলে।
গত ২৯ ডিসেম্বর থেকে একের পর এক মৃত্যু এবং বহু মানুষের অসুস্থতার পর গোটা এলাকায় এখন ত্রাহি ত্রাহি রব। পরিস্থিতি এতটাই ভয়াবহ যে, রান্নার জল তো বটেই, এমনকি চা তৈরির জন্যও মানুষ কলের জল ছুঁতে ভয় পাচ্ছেন।চায়ের দোকানগুলোতেও এখন প্লাস্টিকের বোতলজাত জল ব্যবহার করা হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা অশোক পাথির ক্ষোভ, “কেউ না কেউ তো এই অবহেলার দায় নেবে! এটি দুর্ঘটনা নয়, এটি সুপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। আমরা খুনের মামলা চাই।” স্থানীয়দের স্পষ্ট দাবি, দোষী ঠিকাদার ও পরিকল্পনাকারীদের বিরুদ্ধে ‘অনিচ্ছাকৃত খুনের’ (Culpable Murder) মামলা করতে হবে।
