দেশের নিরাপত্তায় রক্ষায় সেন্ট্রাল রিজার্ভ ফোর্স অর্থাৎ সিআরপিএফের গুরুত্ব অপরিসীম। বিশেষ করে গত একবছরে মাওবাদী দমনে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নিয়েছে এই বাহিনী। আর এই ১২ মাসে একজন জওয়ানেরও প্রাণ হারায়নি। যা সিআরপিএফের ইতিহাসে ঐতিহাসিক সাফল্য। বাহিনীর এই সাফল্যকেই সমাজমাধ্যমে স্যালুট জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি একটি ছবি পোস্ট করে লিখলেন, গত ১২ মাসে সিআরপিএফের কেউ হতাহত হয়নি। যা ৪৭ বছরের ইতিহাসে প্রথম। প্রধানমন্ত্রীর কথায়, ‘এই শূন্যের গভীরতা অনেক।’
বলে রাখা প্রয়োজন, উত্তর-পূর্ব ভারত হোক কিংবা জম্মু-কাশ্মীর। জঙ্গি দমন থেকে শুরু করে দেশকে মাওবাদী মুক্ত করতে সিআরপিএফ লাগাতার দায়িত্ব পালন করে থাকে। আর তা করতে গিয়ে লাগাতার চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হয় বাহিনীকে। শহিদ পর্যন্ত হয়েছে। কিন্তু উল্লেখযোগ্যভাবে গত একবছরে একাধিক অভিযানে বাহিনী অংশ নিলেও প্রাণহানি শূন্য। আর সেই সাফল্যের কথা তুলে সোমবারই টুইট করেন সিআরপিএফের ডিজি জিপি সিং। তাঁর কথায়, শেষ অপারেশনাল মৃত্যুর ঘটনাটি নথিভুক্ত করা হয় ২০২৫ সালের ৩০ অক্টোবর। এরপর কেটে গিয়েছে ১২ টা মাস। কিন্তু এই ১২ মাসে হতাহতের ঘটনা শূন্য। যা রেকর্ড। এজন্য বাহিনীর কৌশলগত প্রশিক্ষণ, আধুনিক সরঞ্জাম এবং আধুনিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার কথা তুলে ধরেছেন সিআরপিএফের ডিজি।
আরও পড়ুন:
বাহিনীর এহেন সাফল্যের প্রশংসা করেছেন জম্মু ও কাশ্মীরের প্রাক্তন ডিরেক্টর জেনারেল অফ পুলিশ এস পি বৈদ্যও। তিনিও বাহিনীর কৌশলগত প্রশিক্ষণ, আধুনিক সরঞ্জাম এবং আধুনিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার কথা তুলে ধরেছেন। এক সংবাদসংস্থাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে প্রাক্তন এই পুলিশকর্তা জানিয়েছেন, জম্মু-কাশ্মীর-সহ ভারতের সবচেয়ে স্পর্শকাতর এলাকাগুলিতে বাহিনী কাজ করে। প্রতি পদে থাকে বিপদ। কিন্তু তা সামলেও যেভাবে কাজ করেছে তা প্রশংসার যোগ্য। তাঁর কথায়, জওয়ানরা এখন বুলেটপ্রুফ হেলমেট, জ্যাকেট এবং যানবাহনে সজ্জিত, যা অভিযান চলাকালীন জওয়ানদের সুরক্ষাকে শক্তিশালী করেছে বলে মন্তব্য জম্মু ও কাশ্মীরের প্রাক্তন ডিরেক্টর জেনারেল অফ পুলিশের।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
