Imran Khan Eye Remedy | গাভাসকার-কপিলদের চিঠিতে টনক নড়ল পাক সরকারের, জেল থেকে হাসপাতালে ইমরান খান   

Imran Khan Eye Remedy | গাভাসকার-কপিলদের চিঠিতে টনক নড়ল পাক সরকারের, জেল থেকে হাসপাতালে ইমরান খান   

শিক্ষা
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্কঃ মাঠের একসময়ের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী সতীর্থদের মানবিক আবেদনে শেষমেশ সাড়া দিল পাকিস্তান সরকার। চোখের জরুরি চিকিৎসার জন্য মঙ্গলবার রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা জেল থেকে ইসলামাবাদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলো পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী তথা কিংবদন্তি ক্রিকেটার ইমরান খানকে (Imran Khan Eye Remedy)। মূলত সুনীল গাভাসকার ও কপিল দেবসহ ১৪ জন বিশ্ববরেণ্য ক্রিকেট অধিনায়কের চিঠির পরেই পাকিস্তান প্রশাসন ইমরানকে চিকিৎসার জন্য জেলে থেকে বের করার অনুমতি দেয়।

২০২৩ সাল থেকে কারাবন্দি ইমরানের স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে সম্প্রতি পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফকে চিঠি দিয়েছিলেন ১৪ জন প্রাক্তন ক্রিকেট অধিনায়ক। এই তালিকায় ভারতের গাভাসকার-কপিল ছাড়াও ছিলেন ক্লাইভ লয়েড, স্টিভ ওয়া, অ্যালান বর্ডার, গ্রেগ চ্যাপেল ও নাসের হুসেনের মতো তারকারা। চিঠিতে তাঁরা লেখেন, “রাজনীতিতে ইমরানের অবস্থান যাই হোক না কেন, বিশ্ব ক্রিকেটে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। ১৯৯২ সালের বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়কের সঙ্গে যেন মানবিক আচরণ করা হয় এবং তাঁর সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়।”

গত মাসেই আদিয়ালা জেলের ভেতর জানা গিয়েছিল, ইমরান খানের ডান চোখের রেটিনায় গুরুতর সমস্যা (সেন্ট্রাল রেটিনাল ভেন অক্লুশন) দেখা দিয়েছে এবং তিনি দৃষ্টিশক্তি হারাচ্ছেন। মঙ্গলবার তাঁকে ইসলামাবাদের ‘পাকিস্তান ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্সেস’ (PIMS)-এ নিয়ে যাওয়া হয়। হাসপাতালের চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, তাঁকে ভিইজিএফ (VEGF) রোধী ইনজেকশন দেওয়া হয়েছে। ইনজেকশন দেওয়ার আগে তাঁর হৃদযন্ত্রের পরীক্ষা (ECG ও ইকোকার্ডিওগ্রাফি) করা হয়, যার রিপোর্ট সন্তোষজনক এসেছে। চিকিৎসকদের মতে, এটি একটি ‘ডে কেয়ার অস্ত্রোপচার’ ছিল এবং বর্তমানে তিনি স্থিতিশীল। আগামী ২৪ মার্চ তাঁকে তৃতীয় ইনজেকশনটি দেওয়া হবে।

যদিও এই চিকিৎসা নিয়ে পূর্ণ সন্তুষ্ট নয় ইমরানের পরিবার ও তাঁর দল পিটিআই (PTI)। তাঁদের অভিযোগ, চিকিৎসার প্রক্রিয়া নিয়ে সরকার লুকোছাপা করছে। তাঁদের দাবি ছিল, আল-শিফার মতো কোনও নামী বেসরকারি হাসপাতালে রেখে স্বচ্ছতার সঙ্গে তাঁর চিকিৎসা করা হোক। যদিও পাকিস্তানের সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী তারিক ফজল চৌধরি সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে জানিয়েছেন, সম্পূর্ণ আইনি প্রক্রিয়া মেনেই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে তাঁর সুচিকিৎসা নিশ্চিত করা হয়েছে।

মাঠের লড়াই যে মাঠেই সীমাবদ্ধ এবং সংকটের দিনে খেলোয়াড়দের ভ্রাতৃত্ব যে সীমানা মানে না, গাভাসকার-কপিলদের এই পদক্ষেপ আবারও তা প্রমাণ করে দিল।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *