IAS Switch Controversy | নবান্ন বনাম নির্বাচন কমিশন! ৩ রোল অবজার্ভার বদলি নিয়ে মুখ্যসচিবকে কড়া চিঠি, বুধবারের মধ্যে রিপোর্ট তলব

IAS Switch Controversy | নবান্ন বনাম নির্বাচন কমিশন! ৩ রোল অবজার্ভার বদলি নিয়ে মুখ্যসচিবকে কড়া চিঠি, বুধবারের মধ্যে রিপোর্ট তলব

খেলাধুলা/SPORTS
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্কঃ ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজ নিয়ে রাজ্য প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের সংঘাত এক নতুন মাত্রা পেল (IAS Switch Controversy)। কমিশনের আগাম অনুমতি না নিয়েই তিনজন ইলেক্টোরাল রোল অবজার্ভারকে (Electoral Roll Observer) বদলি করার অভিযোগে কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে কমিশন। মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তীকে চিঠি লিখে কমিশন সাফ জানিয়ে দিয়েছে, বুধবার বিকেল তিনটের মধ্যে এই বদলি সংক্রান্ত স্ট্যাটাস রিপোর্ট জমা দিতে হবে এবং অবিলম্বে বদলির নির্দেশ বাতিল করতে হবে।

নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী, ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া (Particular Abstract Revision) চলাকালীন সংশ্লিষ্ট কোনো আধিকারিককে কমিশনের অনুমতি ছাড়া বদলি করা যায় না। গত ২৭ অক্টোবর ২০২৫-এর নির্দেশিকায় এই বিষয়টি স্পষ্ট করা হয়েছিল। কমিশনের অভিযোগ, নবান্ন সম্প্রতি একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে তিন অভিজ্ঞ আইএএস অফিসারকে তাঁদের বর্তমান দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দিয়েছে, যা কমিশনের নিয়মাবলীর সরাসরি লঙ্ঘন।

যাঁদের বদলি করা হয়েছে:

১. স্মিতা পাণ্ডে (IAS): পশ্চিম বর্ধমান, পূর্ব বর্ধমান ও বীরভূম। ২. অশ্বিনী কুমার যাদব (IAS): উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর। ৩. রণধীর কুমার (IAS): উত্তর ২৪ পরগনা ও কলকাতা উত্তর।

এই তিন আধিকারিকই সংশ্লিষ্ট জেলাগুলির ভোটার তালিকা পর্যবেক্ষণের দায়িত্বে ছিলেন। তাঁদের হঠাৎ সরিয়ে দেওয়ায় তালিকা সংশোধনের কাজে ব্যাঘাত ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছে কমিশন।

কমিশন তাদের চিঠিতে স্পষ্ট উল্লেখ করেছে যে, ভোটার তালিকা সংশোধন চলাকালীন অফিসারদের বদলি রুখতে মুখ্যসচিবের বিশেষ ভূমিকা নেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু নবান্ন যেভাবে আগাম অনুমতি ছাড়া এই বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে, তাতে কমিশনের মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। বুধবার বিকেলের মধ্যে নবান্ন যদি সদুত্তর দিতে না পারে বা বদলির নির্দেশ বাতিল না করে, তবে কমিশন আরও কঠোর আইনি বা প্রশাসনিক পদক্ষেপ নিতে পারে বলে জল্পনা শুরু হয়েছে।

সামনেই নির্বাচন, তার আগে ভোটার তালিকা নিয়ে কমিশনের এই কড়াকড়ি যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। নবান্ন কি শেষ পর্যন্ত এই তিন আধিকারিককে পুরনো পদে বহাল করবে, না কি নতুন কোনো সংঘাতের পথে হাঁটবে, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *