Hawker Eviction | পুজোর মুখে স্বস্তি: উৎসব শেষ না হওয়া পর্যন্ত রাজ্যে স্থগিত হকার উচ্ছেদ, আশ্বস্ত করলেন মুখ্যমন্ত্রী!

Hawker Eviction | পুজোর মুখে স্বস্তি: উৎসব শেষ না হওয়া পর্যন্ত রাজ্যে স্থগিত হকার উচ্ছেদ, আশ্বস্ত করলেন মুখ্যমন্ত্রী!

ব্লগ/BLOG
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্ক: পুজোর মরসুমের আগে রাজ্যের কয়েক হাজার হকার পরিবারের জন্য এল বড় স্বস্তির খবর। শনিবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) ‘জনতার দরবার’-এ হকার সংগঠনগুলির প্রতিনিধিরা দেখা করার পর, উৎসবের মরসুম পর্যন্ত রাজ্যজুড়ে হকার উচ্ছেদ প্রক্রিয়া (Hawker Eviction) বন্ধ রাখার ইঙ্গিত মিলল। মানবিকতার খাতিরে দুর্গাপুজো পর্যন্ত এই সিদ্ধান্ত বহাল থাকবে বলে দাবি করেছেন ‘হকার্স জয়েন্ট অ্যাকশন কমিটি’র রাজ্য সভাপতি অসিত সাহা।

রাজ্য জুড়ে হকার উচ্ছেদ অভিযান নিয়ে গত কয়েকদিন ধরেই জল্পনা ও ক্ষোভ দানা বাঁধছিল। হকারদের মূল অভিযোগ ছিল, উপযুক্ত পুনর্বাসন বা আগাম নোটিশ ছাড়াই তাঁদের জীবিকার ওপর আঘাত আনা হচ্ছে। এই উদ্বেগের কথা মাথায় রেখেই শনিবার শুভেন্দু অধিকারীর দ্বারস্থ হন হকার্স জয়েন্ট অ্যাকশন কমিটির প্রতিনিধিরা।

বৈঠক শেষে সংগঠনের রাজ্য সভাপতি অসিত সাহা জানান, মুখ্যমন্ত্রী তাঁদের আবেদন অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে শুনেছেন। মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়েছেন, উৎসবের মরসুমের কথা মাথায় রেখে আপাতত কোনো হকারকে উচ্ছেদ করা হবে না। এই ঘোষণার ফলে রাজ্য জুড়ে হকারদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়া আতঙ্ক কিছুটা হলেও কমল।

তবে সরকারিভাবে উচ্ছেদ স্থগিতের আশ্বাস মিললেও, রেলের জমির বিষয়ে এদিন সতর্কবার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বৈঠকে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, রেলের নিজস্ব জমিতে হকার উচ্ছেদের বিষয়ে রাজ্য সরকারের সরাসরি কোনো ভূমিকা নেই। তবে রেল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে এই বিষয়ে আলোচনার পথ খোলা রাখার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। প্রয়োজনে কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করে সমস্যা সমাধানের পথ খোঁজা হবে বলে জানা গেছে।

হকারদের স্থায়ী সমাধান ও ব্যবসার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইতিমধ্যে পূর্ত দফতরের সঙ্গে আলোচনা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। সংগঠনগুলির আশা, খুব শীঘ্রই একটি নির্দিষ্ট রূপরেখা বা নীতি তৈরি করা হবে, যা ভবিষ্যতে হকারদের জীবিকা সুরক্ষায় সহায়ক হবে। সরকারের এই ইতিবাচক ভূমিকায় হকার সংগঠনগুলি আপাতত আশাবাদী।

উচ্ছেদ প্রক্রিয়া সাময়িকভাবে বন্ধ হওয়ার ফলে উৎসবের মরসুমে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন কেনাকাটা ও ফুটপাতের দোকানগুলি স্বাভাবিকভাবেই সচল থাকবে বলে মনে করা হচ্ছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *