উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: বিনোদন দুনিয়ায় যেন নেমে এসেছে এক কালো ছায়া। একের পর এক তারকার প্রয়াণে যখন সঙ্গীত মহল শোকস্তব্ধ, ঠিক তখনই পঞ্জাবি মিউজিক ইন্ডাস্ট্রি থেকে এল আরও এক দুঃসংবাদ! মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন জনপ্রিয় শিল্পী হরমন সিধু। মাত্র ৩৭ বছর বয়সে তাঁর সুরের সফর চিরতরে থেমে গেল।
শনিবার সকালে নিজের গ্রাম খিয়ালায় ফিরছিলেন হরমন। পাঞ্জাবের খিয়ালা গ্রামের কাছে মানসা-পটিয়ালা রোডে ঘটে যায় সেই ভয়াবহ ঘটনা। একটি দ্রুতগামী ট্রাকের সঙ্গে তাঁর গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সংঘর্ষের অভিঘাত ছিল এতটাই তীব্র যে, হরমন সিধুর সাধের গাড়িটি সম্পূর্ণ দুমড়ে-মুচড়ে লোহার স্তূপে পরিণত হয়। ‘এত জোরে দুটি গাড়ির সংঘর্ষ হয় যে, এরপরে আরোহীর বেঁচে থাকার বিন্দুমাত্র সম্ভাবনা ছিল না’—এক প্রত্যক্ষদর্শীর মুখে ঘটনাস্থলের এই বর্ণনা যেন হাড়হিম করে দেয়। ঘটনাস্থলেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন প্রতিভাবান এই গায়ক।
খুব অল্প সময়ের মধ্যেই নিজের প্রতিভার জোরে পঞ্জাবি গানে বিশেষ পরিচিতি লাভ করেন হরমন। মিস পূজার মতো শিল্পীর সঙ্গে তাঁর জুটি ছিল অত্যন্ত জনপ্রিয়। ‘পেপার ইয়া পেয়ার’ গানটি তাঁকে ব্যাপক পরিচিতি এনে দেয়। এছাড়াও ‘মুলতান ভার্সেস রাশিয়া’, ‘কই চক্কর নেহি’ এবং ‘বেবে বাপু’-এর মতো গানগুলিও শ্রোতাদের মন জয় করেছিল। শিল্পীর অকাল প্রয়াণের খবর ছড়িয়ে পড়তেই শোকের ঢেউ আছড়ে পড়েছে সমাজমাধ্যমে। তাঁর অনুরাগীদের মতে, পঞ্জাবি মিউজিক ইন্ডাস্ট্রি একজন উজ্জ্বল নক্ষত্রকে হারাল, যার কাছ থেকে আরও অনেক অসাধারণ কাজ পাওয়ার ছিল। এই মর্মান্তিক মৃত্যু তাঁর ভক্তদের হৃদয়ে গভীর ক্ষত রেখে গেল।
