Harishchandrapur | মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে ‘জানোয়ার’ বলে কটাক্ষ তৃণমূল নেতার! রেল রোকোর হুঁশিয়ারি

Harishchandrapur | মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে ‘জানোয়ার’ বলে কটাক্ষ তৃণমূল নেতার! রেল রোকোর হুঁশিয়ারি

খেলাধুলা/SPORTS
Spread the love


সৌরভ কুমার মিশ্র, হরিশ্চন্দ্রপুর: মালদার হরিশ্চন্দ্রপুরে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা ‘এসআইআর’ (SIR) শুনানিকে কেন্দ্র করে তুঙ্গে উঠল রাজনৈতিক উত্তেজনা। শুক্রবার হরিশ্চন্দ্রপুর ২ নম্বর ব্লকে (Harishchandrapur) শুনানির লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা ভোটারদের সামনেই নির্বাচন কমিশন ও কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে ‘রেল রোকো’ আন্দোলনের নিদান দিতে দেখা গেল তৃণমূলের জেলা পরিষদ সদস্য বুলবুল খানকে। শুধু তাই নয়, দেশের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককেও বেনজির ভাষায় আক্রমণ করেছেন তিনি।

শুক্রবার সকাল থেকেই হরিশ্চন্দ্রপুরের দুটি ব্লকে শুনানির (SIR Controversy) জন্য হাজার হাজার মানুষের ভিড় জমে। ভিড় সামলাতে পুলিশ হিমশিম খাওয়ার মাঝেই ঘটনাস্থলে পৌঁছান তৃণমূল নেতা বুলবুল খান। অভিযোগ, তিনি লাইনে দাঁড়ানো মানুষদের উস্কানি দিয়ে বলেন, কেন্দ্রীয় সরকার ও কমিশনের চক্রান্ত রুখতে রেল অবরোধ করে আন্দোলনে নামতে হবে। সংবাদমাধ্যমের সামনে তিনি দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে ‘জানোয়ারের অধম’ বলে আক্রমণ করেন। বুলবুল (Bulbul Khan) বলেন, ‘বাবার নাম আছে অথচ ছেলেকে অবৈধ ভোটার সাজিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে। আন্দোলন ছাড়া পথ নেই, আমরা শীঘ্রই বাংলাজুড়ে রেল রোকো করব।’

এই ঘটনায় বিজেপি উত্তর মালদা জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক রূপেশ আগরওয়াল পাল্টা তোপ দেগে বলেন, ‘যাঁদের সুপ্রিমো সারাক্ষণ উস্কানি দেন, তাঁদের অনুগামীদের থেকে এর চেয়ে ভালো কিছু আশা করা যায় না। রেলের সম্পত্তির ক্ষতি হলে দায় তৃণমূলকেই নিতে হবে।’ এদিকে, রাজ্যের মন্ত্রী তজমুল হোসেনও সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব হয়েছেন। তাঁর দাবি, হরিশ্চন্দ্রপুরে প্রায় ৮৫ হাজার বৈধ ভোটারের নাম কাটার ষড়যন্ত্র করছে কমিশন। দ্রুত শুনানি বন্ধ না হলে বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক দিয়েছেন তিনি।

শুনানি কেন্দ্রের ভিড়ের জেরে হরিশ্চন্দ্রপুর ২ নম্বর ব্লকের পাশে থাকা বাংলা-বিহার সংযোগকারী রাজ্য সড়কে ভয়াবহ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। রাস্তা জুড়ে হাজার হাজার মানুষের ভিড় এবং এলোমেলোভাবে দাঁড়িয়ে থাকা টোটো ও মোটরবাইকের কারণে স্তব্ধ হয়ে যাচ্ছে যান চলাচল। স্থানীয়দের অভিযোগ, পর্যাপ্ত পুলিশ না থাকায় নিত্যযাত্রীদের পাশাপাশি মুমূর্ষু রোগী নিয়ে যাওয়া অ্যাম্বুলেন্সও দীর্ঘক্ষণ আটকে থাকছে। বাধ্য হয়ে স্থানীয়রাই ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের কাজ করছেন। সব মিলিয়ে SIR শুনানিকে কেন্দ্র করে হরিশ্চন্দ্রপুর এখন রাজনৈতিক লড়াই আর জনভোগান্তির এপিসেন্টার হয়ে দাঁড়িয়েছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *