Harishchandrapur | দলীয় নির্দেশ অমান্য! বিজেপির বিধায়কদের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে হাজির হরিশ্চন্দ্রপুরের তৃণমূল বিধায়ক মতিবুর রহমান

ব্যবসা-বাণিজ্যের /BUSINESS
Spread the love


হরিশ্চন্দ্রপুর: দলীয় নির্দেশকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে বিধানসভায় নবনির্বাচিত বিজেপি বিধায়কদের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার জেরে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। বুধবার রাজ্য বিধানসভায় নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের দুই সদ্য নির্বাচিত বিজেপি বিধায়কের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন হরিশ্চন্দ্রপুরের (Harishchandrapur) তৃণমূল বিধায়ক মতিবুর রহমান (MLA Motibur Rahman) সহ মমতাঘনিষ্ঠ আরও দুই বিধায়ক—অশোক দেব ও আব্দুল মাতিন। তৃণমূলের পক্ষ থেকে এই অনুষ্ঠান বয়কট করার নির্দেশ থাকলেও তা অমান্য করায় দলের অন্দরেই শুরু হয়েছে জোর শোরগোল।

দলীয় নির্দেশ অমান্য করে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে হাজির থাকা নিয়ে প্রশ্ন উঠলে হরিশ্চন্দ্রপুরের বিধায়ক মতিবুর রহমান সাফাই দিয়ে জানান, তিনি একজন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি এবং বিধানসভায় যাওয়ার পূর্ণ অধিকার তাঁর রয়েছে। কলকাতা থেকে ফোনে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, “হরিশ্চন্দ্রপুর এলাকার মানুষ আমাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করে বিধানসভায় পাঠিয়েছেন, যাতে এলাকার উন্নয়নমূলক কাজ ব্যাহত না হয়। আমি এলাকার উন্নয়নের জন্য মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলতেই পারি, তাঁর কাছ থেকে কাজ আদায় করতেই পারি। কিন্তু তা বলে আমি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ছেড়ে দিইনি। আমি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেই আছি, ছিলাম এবং থাকবো।”

জানা গিয়েছে, অনুষ্ঠান চলাকালীন অন্য বিধায়করা বেরিয়ে গেলেও মতিবুর রহমান ও আব্দুল মাতিন শেষ পর্যন্ত সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

এই ঘটনায় রাজ্য জুড়ে রাজনৈতিক মহলে তীব্র গুঞ্জন শুরু হয়েছে। তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ এই বিষয়ে মন্তব্য করে জানান, “এই উপনির্বাচনে গণতন্ত্রকে হত্যা করা হয়েছে, ভোট লুট হয়েছে। তাই এই নির্বাচনে জয়ী প্রার্থীদের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে আমরা থাকব না বলেই ঠিক করেছিলাম। যারা গেছেন তারা ব্যক্তিগতভাবে গেছেন। হয়তো দলের নির্দেশ নিয়ে কোনো মিস কমিউনিকেশন হয়েছিল।”

অন্যদিকে, মালদা জেলা তৃণমূলের পক্ষ থেকেও বিষয়টি নিয়ে অস্বস্তি প্রকাশ করা হয়েছে। মালদা জেলা তৃণমূলের নেতা আব্দুর রহিম বক্সী জানিয়েছেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে সম্পূর্ণ অবগত নন এবং মতিবুরের সঙ্গে কথা বলেই এই বিষয়ে মন্তব্য করবেন। অন্যদিকে, হরিশ্চন্দ্রপুরের প্রাক্তন মন্ত্রী তথা অন্য একটি রাজনৈতিক শিবিরের সঙ্গে যুক্ত তাজমুল হোসেন জানিয়েছেন, এটি সম্পূর্ণ তাদের দলের অভ্যন্তরীণ ব্যাপার, তাই এ নিয়ে তাঁর কিছু বলার নেই।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *