Hardeep Singh Nijjar | খালিস্তানি নেতা নিজ্জরকে খুনের দায় স্বীকার গোল্ডি ব্রারের! ফাঁস অডিও ঘিরে তোলপাড়

আন্তর্জাতিক INTERNATIONAL
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্ক: খালিস্তানি (Khalistani) জঙ্গি ও ‘খালিস্তান টাইগার ফোর্স’ (KTF)-এর প্রধান হরদীপ সিং নিজ্জর (Hardeep Singh Nijjar) হত্যাকাণ্ড নিয়ে প্রকাশ্যে এল এক বিস্ফোরক তথ্য। আন্তর্জাতিক কূটনীতির জলঘোলা পেছনে ফেলে এই হত্যাকাণ্ডে এবার সরাসরি গ্যাংস্টার কানেকশনের নতুন দিক উন্মোচিত হয়েছে। গ্যাংস্টার গোল্ডি ব্রারের (Goldy Brar) একটি ফাঁস হওয়া অডিও ক্লিপে দাবি করা হয়েছে, কোনও সরকারি চক্রান্ত নয়, বরং মাদকের কারবার ও উঠতি বয়সের তরুণদের শোষণের বদলা নিতেই নিজ্জরকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

অন্য এক খালিস্তানি জঙ্গি পরমজিৎ সিং পাম্মার সঙ্গে গোল্ডি ব্রারের কথোপকথনের ওই ফাঁস হওয়া অডিওতে শোনা যায়, নিজ্জর হত্যার নেপথ্যে ছিল অভ্যন্তরীণ শত্রুতা ও মাদকের সিন্ডিকেট।

অডিও ক্লিপে ব্রার দাবি করেন, ১৬-১৭ বছরের কিশোরদের ফুঁসলিয়ে মাদকের কারবারে নামাত নিজ্জর ও তার সঙ্গীরা। ওই তরুণদের ব্ল্যাকমেল করে কেবল মাদকের অবৈধ ব্যবসায় নামানো হতো না, নিজেদের স্বার্থে তথ্যদাতা বা ‘ইনফর্মার’ হিসেবে ব্যবহার করা হতো।

ব্রারের কথায়, “আমরা এবং আমাদের টিম নিজ্জরকে খতম করতে বাধ্য হয়েছি, কারণ সে তরুণদের ভবিষ্যৎ নষ্ট করছিল। কাজের ফল সবাইকেই ভোগ করতে হবে।” তবে, প্রচারিত এই অডিও ক্লিপের সত্যতা নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

২০২৩ সালের ১৮ জুন কানাডার ব্রিটিশ কলাম্বিয়ার সারে শহরের একটি গুরুদ্বারের বাইরে গুলি করে হত্যা করা হয় নিজ্জরকে। তৎকালীন কানাডীয় প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো কোনও সুনির্দিষ্ট তথ্য ছাড়াই এই হত্যাকাণ্ডে ভারত সরকারের জড়িত থাকার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। ভারতের পক্ষ থেকে সেই অভিযোগকে “ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত” বলে উড়িয়ে দেওয়া হয়।

কানাডায় রাজনৈতিক পটপরিবর্তন এবং রয়্যাল কানাডিয়ান মাউন্টেড পুলিশ (RCMP)-এর তদন্তে দেখা গিয়েছে, ভারতীয় সরকারি কর্মকর্তাদের এই হত্যাকাণ্ডে যুক্ত থাকার কোনও তথ্য বা প্রমাণ মেলেনি। মার্কিন ও কানাডীয় তদন্তকারী সংস্থার সাম্প্রতিক যৌথ অভিযানেও সংগঠিত অপরাধ চক্র ও গ্যাংস্টারদের নামই মূল অভিযুক্ত হিসেবে উঠে এসেছে।

গোল্ডি ব্রারের এই অডিও ফাঁস ট্রুডো আমলের তৈরি কৃত্রিম কূটনৈতিক সংকটকে নতুন করে কাঠগড়ায় দাঁড় করাচ্ছে। একটি প্রকাশ্য গ্যাং যুদ্ধ এবং মাদক কারবারের কোন্দলকে রাজনৈতিক মাত্রা দেওয়ার যে চেষ্টা হয়েছিল, এই ফাঁস হওয়া বিস্ফোরক স্বীকারোক্তি সেদিকেই নতুন প্রশ্ন তুলে দিল।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *