শিলিগুড়ি: বুধবারই গোর্খাল্যান্ড টেরিটোরিয়াল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (জিটিএ) (GTA)-এর চিফ এগজিকিউটিভের পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন অনীত থাপা (Anit Thapa)। এবার সেই পথেই হেঁটে ইস্তফার কথা ঘোষণা করলেন জিটিএ-র ডেপুটি চিফ এগজিকিউটিভ (Deputy chief government) সঞ্চবির সুব্বাও (Sanchabir Subba)। পাশাপাশি পদত্যাগ করেছেন কার্সিয়াং পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি অনু ছেত্রী (Anu Chhetri)।
নিজের ইস্তফা প্রসঙ্গে অনু ছেত্রী বলেন, ‘রাজ্যের নতুন সরকারের ওপর পাহাড়ের মানুষের আস্থা রয়েছে। এবার ডাবল ইঞ্জিন সরকারের হাত ধরে পাহাড় সমস্যার সমাধান হবে বলে মনে করছেন সকলে। আমিও পাহাড় সমস্যার স্থায়ী সমাধান চাই। তাই ইস্তফা দিলাম।’
এদিন ইস্তফার কারণ নিয়ে একই সুর শোনা গিয়েছিল অনীত থাপার গলাতেও। তিনি বলেছিলেন, ‘জিটিএ থাকা সত্ত্বেও পাহাড়ের মানুষের সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব হচ্ছিল না। বিধানসভা নির্বাচনে পাহাড়ের মানুষ যেভাবে বিজেপিকে বিপুল জনরায় দিয়েছে, তাতেই স্পষ্ট যে তাঁরা পাহাড় সমস্যার দীর্ঘস্থায়ী এবং রাজনৈতিক সমাধান চায়।’ এই সিদ্ধান্তের পেছনে যে পাহাড়ের দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত রাজনৈতিক সমস্যাই মূল কারণ, তা তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট ছিল। তাই জিটিএ থেকে বেরিয়ে এসে স্থায়ী সমাধানের পথ প্রশস্ত করতে চাইছেন বলে জানিয়েছেন অনীত।
উল্লেখ্য, দীর্ঘ দুই দশক পরে ২০২৩ সালে পাহাড়ে পঞ্চায়েত ব্যবস্থা ফিরেছিল। সিংহভাগ পঞ্চায়েত সমিতি এবং গ্রাম পঞ্চায়েত বর্তমানে অনীত থাপার ভারতীয় গোর্খা প্রজাতান্ত্রিক মোর্চার দখলেই রয়েছে। এবার পাহাড়ের রাজনীতি কোনদিকে মোড় নেয়, সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছে রাজনৈতিক মহল।

