চোপড়া: প্রায় বছর দুয়েক আগে চোপড়ার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের চেতনাগছে মাটিচাপা পড়ে মৃত্যু হয়েছিল চার শিশুর। সেই সময় চার শিশুর পরিবারকে রাজ্যপাল নিজস্ব তহবিল থেকে ১ লক্ষ টাকা করে ক্ষরিপূরণ ঘোষণা করেছিলেন। ক্ষতিপূরণের সেই টাকা এখনও পর্যন্ত না পাওয়ায় রাজভবনে যাচ্ছেন মৃতদের পরিবারের লোকেরা।
২০২৪ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি সীমান্তের কাটা তারের বেড়ার রাস্তার নীচে নালাতে মাটিচাপা পড়ে একই গ্রামের পৃথক চার পরিবারের চার শিশুর মৃত্যু হয়। এই ঘটনায় বিএসএফকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে হৈ চৈ পড়ে যায়। বিএসএফের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগে এলাকায় টানা এক সপ্তাহ ধরে অবস্থান বিক্ষোভ আন্দোলন চালিয়ে যায় তৃণমূল নেতৃত্ব। পৌঁছান, রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য ও গোলাম রব্বানিও। অন্যদিকে সরেজমিনে খোঁজ নেওয়ার পাশাপাশি পরিবারগুলিকে সমবেদনা জানাতে ২০ ফেব্রুয়ারি রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস গ্রামে পৌঁছে মৃতদের পরিবার পিছু রাজ্যপালের তহবিল থেকে এক লক্ষ টাকা করে তাৎক্ষণিক ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করেন বলে দাবি করেন পরিবারের লোকেরা। কিন্তু প্রায় দুবছর কেটে গেলেও রাজ্যপালের ঘোষিত আর্থিক সাহায্য আজও মেলেনি বলে অভিযোগ।
মৃতদের পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজ্য সরকার, তৃণমূলের দলীয় সাহায্য এমনকি দার্জিলিংয়ের সাংসদ রাজু বিস্ট থেকেও অর্থ সাহায্য মিলেছে। কিন্তু রাজ্যপাল ঘোষিত অর্থ সাহায্য তারা এখনও পাননি। পাশাপাশি পরিবারের সদস্যদের বক্তব্য, শিশুমৃত্যু কাণ্ডে নির্দিষ্ট অভিযোগ জানানোর পরেও ঘটনার দীর্ঘ কয়েক মাস কেটে গেলেও এ ব্যাপারে প্রকৃত দোষীদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক পদক্ষেপ করা হয়নি।
মৃতদের পরিবারের তরফে জানানো হয়েছে, তাঁরা কলকাতায় রাজভবনে গিয়ে রাজ্যপালের সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাৎ করে নিজেদের পাওনা টাকা যাতে অবিলম্বে পাওয়া যায়, সেই আবেদন জানাবেন।
