Ginger worth hike | সাতদিনে আদার দাম দ্বিগুণ, সরকারি হস্তক্ষেপের দাবিতে সরব ক্রেতারা

Ginger worth hike | সাতদিনে আদার দাম দ্বিগুণ, সরকারি হস্তক্ষেপের দাবিতে সরব ক্রেতারা

খেলাধুলা/SPORTS
Spread the love


পতিরাম ও বালুরঘাট: আদাতেও এখন ঝাঁঝ বেশি। কোথাও ডাবল সেঞ্চুরিতে পৌঁছে গিয়েছে আদা (Ginger worth hike), কোথাও আবার ২০০-র ঘরে না পৌঁছালেও কাছাকাছি অবস্থান করছে। চাহিদার থেকে জোগান কম হওয়ায় এমন পরিস্থিতি— এমনটাই যুক্তি পাইকারদের। কিন্তু সাতদিনে আদার দাম দ্বিগুণ হওয়ায় সাধারণ ক্রেতাদের মাথায় হাত তো পড়েছেই, চিন্তিত খুচরো ব্যবসায়ীরাও।

এক সপ্তাহ আগে পতিরাম বাজারে যে আদার দাম ছিল কেজিপ্রতি ৮০ টাকা, তা এখন পাল্লায় উঠছে ১৫০ টাকা দরে। বালুরঘাটের (Balurghat) খুচরো বাজারে সাতদিন আগেও ১০০ থেকে ১২০ টাকার মধ্যে ছিল কেজিপ্রতি আদার দাম। হঠাৎ তা বেড়ে পৌঁছে গিয়েছে ২০০ টাকায়। হঠাৎ এই মূল্যবৃদ্ধিতে সাধারণভাবেই চাপে পড়েছেন ক্রেতারা। বালুরঘাট থেকে পতিরাম, দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা আদার জন্য দার্জিলিং, কালিম্পংয়ের পাশাপাশি সিকিমের ওপর নির্ভরশীল। বাজারের তথ্য বলছে, আগের মতো এখন আর পাহাড় থেকে আদা এসে পৌঁছাচ্ছে না। পতিরামের তালতলা মোড়ের রানিবাজারে সাতসকালে আগের মতো এখন আর গাড়ির ভিড় দেখা যাচ্ছে না। কিছুদিন আগেও বালুরঘাট বাজারে ৬০ কেজির ৫০ থেকে ৬০টি আদার বস্তা আসত। এখন প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম বস্তা আদা আসছে বলে পাইকারদের বক্তব্য। পাইকারি বাজারে জোগান কমে যাওয়ায় তার প্রভাব পড়ছে খুচরো বাজারে। বালুরঘাটের আদার পাইকারি ব্যবসায়ী অমিত প্রসাদ বলেন, ‘দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় মূলত আদা আসে পাহাড় থেকে। কিছুটা পাওয়া যায় নেপাল থেকে। এখন সেখানে যোগাযোগ করে জানতে পারছি উৎপাদন কম। ফলে চাহিদা ও জোগানের মধ্যে ভারসাম্য থাকছে না।’ মার্চ মাস থেকে পাহাড়ে টানা বৃষ্টির জন্য এমন পরিস্থিতি বলে জানা গিয়েছে।

এক সপ্তাহের মধ্যে দাম দ্বিগুণ হয়ে যাওয়ায় তাঁদের সমস্যায় পড়তে হচ্ছে বলে বক্তব্য পতিরামের অঙ্কিতা সাহা, পলি বিশ্বাস, মিঠুন সরকার, বিশাল সাহাদের মতো ক্রেতাদের। দাম নিয়ন্ত্রণে সরকারি পদক্ষেপ প্রয়োজন বলে মনে করছেন তাঁরা। অন্যদিকে, সবজি বিক্রেতা রানু সাহা ও সোনাই সরকার জানান, কিছুদিন আগেও তাঁরা পাইকারি বাজার থেকে ৬৫-৭০ টাকা কেজি দরে আদা কিনতেন। কিন্তু এখন গুনতে হচ্ছে ১৩০-১৪০ টাকা। ফলে কিছুটা দাম বাড়াতে হয়েছে তাঁদেরও। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা উদ্যানপালন আধিকারিক ডঃ রাজীব দাসের বক্তব্য, ‘জেলায় আদা চাষ হলেও তুলনামূলকভাবে তা অনেক কম। এখন যে আদা বিক্রি হচ্ছে, তা গত মরশুমের এবং তা প্রায় শেষের দিকে। তাই দামটা সম্ভবত বেশি। কিছুদিনের মধ্যে নতুন আদা উঠলে আশা করি দাম কিছুটা কমবে।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *