Forest Busty | বনবস্তির জলের হাহাকার মেটাতে পিএইচই’কে চিঠি, উদ্যোগ গরুমারা বন্যপ্রাণ দপ্তরের

Forest Busty | বনবস্তির জলের হাহাকার মেটাতে পিএইচই’কে চিঠি, উদ্যোগ গরুমারা বন্যপ্রাণ দপ্তরের

খেলাধুলা/SPORTS
Spread the love


পূর্ণেন্দু সরকার, জলপাইগুড়ি: গরুমারা বন্যপ্রাণ বিভাগের তরফে নেওড়াভ্যালি জাতীয় উদ্যান লাগোয়া বনবস্তিগুলোকে (Forest Busty) জলস্বপ্ন প্রকল্পের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নেওড়াভ্যালি জাতীয় উদ্যান লাগোয়া সাকাম বনবস্তি, তোদে, তাংতা, গোপীপাল বস্তি, ভুজেলগাঁও বস্তি সহ আরও কয়েকটি বনবস্তিতে পরিস্রুত পানীয় জল সরবরাহ করার জন্য আবেদন করে গরুমারা বন্যপ্রাণ বিভাগের তরফে শুক্রবার জনস্বাস্থ্য ও কারিগরি দপ্তরকে চিঠি পাঠানো হয়। ওই এলাকাগুলিতে জলস্বপ্ন প্রকল্পের পরিষেবা শুরু হলে প্রায় ২৫ হাজার মানুষ উপকৃত হবেন।

জলপাইগুড়ি গরুমারা বন্যপ্রাণ বিভাগের অধীনে থাকলেও নেওড়াভ্যালি জাতীয় উদ্যান কালিম্পং জেলায় অবস্থিত। নেওড়াভ্যালির ভেতর দিয়ে প্রবাহিত ঝরনার জল পাইপের মাধ্যমে পুরো কালিম্পং জেলায় সরবরাহ  করা হয়। বনবস্তিগুলির বাসিন্দারা পাইপের মাধ্যমে ঝরনার জল বাড়ি পর্যন্ত নিয়ে এসে ব্যবহার করেন। কিন্তু শুখা মরশুমে তাঁদের জলকষ্টের মধ্যে পড়তে হয়। স্থানীয়রা বিগত কয়েকমাসে বেশ কয়েকবার বন দপ্তরকে পানীয় জলের সমস্যার বিষয়টি জানিয়েছেন। অভিযোগ পেয়ে গরুমারা বন্যপ্রাণ বিভাগের আধিকারিকরা নড়েচড়ে বসেন এবং শুক্রবার জনস্বাস্থ্য ও কারিগরি দপ্তরকে চিঠি পাঠানো হয়। এই প্রসঙ্গে গরুমারা বন্যপ্রাণ বিভাগের ডিএফও দ্বিজপ্রতিম সেন বলেন, ‘নেওড়াভ্যালি জাতীয় উদ্যান সংলগ্ন বনবস্তির বাসিন্দাদের  পরিস্রুত পানীয় জল পেতে সমস্যা সমাধান হয়। শুখা মরশুমে তাঁরা তীব্র জলকষ্টে ভোগেন। সমস্যা সমাধানের জন্য জনস্বাস্থ্য ও কারিগরি দপ্তরকে চিঠি দেওয়া হয়েছে।’

নেওড়াভ্যালি জাতীয় উদ্যানের অরণ্য সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১০ হাজার ফুট উচ্চতায় অবস্থিত। সাড়ে সাত হাজার ফুট উচ্চতায় বনবস্তিগুলি অবস্থিত। কালিম্পং জেলার বিভিন্ন পাহাড়ি এলাকায় জলস্বপ্ন প্রকল্পের কাজ শুরু হলেও বনবস্তি এলাকায় এখনও কাজই শুরু হয়নি। দীপক ভুজেল নামে এক বনবস্তিবাসী বলেন, ‘শুখা মরশুমে প্রচণ্ড জলকষ্টের  মধ্যে পড়তে হয়। ঝরনার জল সর্বত্র পাওয়া যায় না। বন্যপ্রাণী উপদ্রুত এলাকা তাই সবসময় ঝরনার কাছাকাছি গিয়ে জল আনাও খুবই কষ্টকর। দ্রুত বাড়ি বাড়ি পানীয় জল পরিষেবা না এলে ভবিষ্যতে গ্রামগুলোর বাসিন্দার তীব্র জলসংকটের সমস্যার মধ্যে পড়বেন।’

এই প্রসঙ্গে জনস্বাস্থ্য ও কারিগরি দপ্তরের জলপাইগুড়ির কার্যনির্বাহী ইঞ্জিনিয়ার সোমনাথ চৌধুরী বলেন, ‘এলাকাটি ভৌগোলিক দিক থেকে কালিম্পং জেলার মধ্যে পড়েছে। বন দপ্তরের আবেদন জেলার সংশ্লিষ্ট বিভাগকে জানানো হয়েছে।’

বিগত কিছু সময় ধরে কেন্দ্রীয় সরকার জলস্বপ্ন প্রকল্পের রূপায়ণের জন্য অর্থ বরাদ্দ করছে না। ৬ মাসের বেশি সময় ধরে রাজ্যজুড়েই প্রকল্পের নতুন করে কাজ বন্ধ রয়েছে। অর্থ বরাদ্দ হলেই নেওড়াভ্যালির বনবস্তিগুলিতে পরিস্রুত পানীয় জল পরিষেবা পৌঁছানোর কাজ শুরু হবে বলে সংশ্লিষ্ট দপ্তর সূত্রে জানানো হয়েছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *