Flight Seat Choice | বিমানে পছন্দের আসনে বসতে গুনতে হবে না অতিরিক্ত টাকা! যাত্রীদের সুবিধার্থে নির্দেশ কেন্দ্রের

Flight Seat Choice | বিমানে পছন্দের আসনে বসতে গুনতে হবে না অতিরিক্ত টাকা! যাত্রীদের সুবিধার্থে নির্দেশ কেন্দ্রের

শিক্ষা
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: দেশের অভ্যন্তরে বিমানযাত্রীদের জন্য বড়সড় সুখবর শোনাল কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রক। এখন থেকে ওয়েব চেক-ইন বা টিকিট বুকিংয়ের সময় পছন্দের আসন বাছার ক্ষেত্রে (Flight Seat Choice) পকেটের বাড়তি টান কমতে চলেছে। ডিরেক্টরেট জেনারেল অফ সিভিল এভিয়েশন (DGCA) মারফত জারি করা এক নতুন নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, প্রতিটি বিমানের অন্তত ৬০ শতাংশ আসন বাড়তি টাকা না দিয়ে বাছতে পারবেন যাত্রীরা। এতদিন দেখা যাচ্ছিল, টিকিট কাটার পর পছন্দের আসনের জন্য তো বটেই, এমনকি সাধারণ আসনের জন্যও বিমান সংস্থাগুলি অতিরিক্ত টাকা দাবি করছিল। সরকারের এই হস্তক্ষেপে সেই লুকোনো খরচে এবার লাগাম পড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। সাধারণ মানুষের জন্য বিমান ভ্রমণকে আরও সহজলভ্য এবং স্বচ্ছ করতেই এই কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে কেন্দ্র।

নতুন এই নির্দেশিকায় আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে, যা পরিবার নিয়ে ভ্রমণকারীদের দীর্ঘদিনের সমস্যার সমাধান করবে। এখন থেকে একই পিএনআর (PNR) নম্বরের অধীনে থাকা যাত্রীদের অবশ্যই বিমানে একসঙ্গে বসার সুযোগ দিতে হবে। অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যেত, একই টিকিট হওয়া সত্ত্বেও পরিবার বা বন্ধুদের আলাদা আলাদা আসনে বসিয়ে দেওয়া হত এবং পাশাপাশি বসার জন্য বাড়তি ফি চাওয়া হত। এবার থেকে বিমান সংস্থাগুলিকে নিশ্চিত করতে হবে যাতে একই বুকিংয়ের যাত্রীরা পাশাপাশি বা কাছাকাছি আসন পান। এতে পর্যটক এবং প্রবীণ নাগরিকদের হয়রানি অনেকটাই কমবে। আসন সংক্রান্ত নিয়মের পাশাপাশি বিমান সংস্থাগুলিকে তাদের পরিষেবা আরও স্বচ্ছ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে ক্রীড়া সরঞ্জাম, বাদ্যযন্ত্র এবং পোষ্য নিয়ে ভ্রমণের ক্ষেত্রে প্রতিটি সংস্থাকে নির্দিষ্ট এবং যাত্রী-বান্ধব নীতি জনসমক্ষে আনতে হবে।

ভারত বর্তমানে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম বিমান পরিবহন বাজার হিসেবে উঠে এসেছে, যেখানে প্রতিদিন গড়ে পাঁচ লক্ষেরও বেশি যাত্রী যাতায়াত করেন। এই বিশাল সংখ্যক যাত্রীর অধিকার রক্ষায় সরকার এখন অনড়। ফ্লাইট বাতিল, অস্বাভাবিক দেরি বা বোর্ডিং প্রত্যাখ্যানের ক্ষেত্রে যাত্রীদের প্রাপ্য সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কে বিমানবন্দর, ওয়েবসাইট এবং মোবাইল অ্যাপে স্পষ্ট তথ্য দিতে হবে। সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে এই তথ্যগুলি ইংরেজি ও হিন্দির পাশাপাশি আঞ্চলিক ভাষাতেও প্রদর্শন করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। মোটের ওপর, অতিরিক্ত চার্জের বোঝা কমিয়ে এবং যাত্রী অধিকারকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে দেশের বিমান পরিষেবা ব্যবস্থায় এক নতুন স্বচ্ছতা আনার লক্ষ্য নিয়েছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রক।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *