FIFA World Cup Pink Boots | কালো অতীত! ২০২৬ বিশ্বকাপে ফুটবলারদের পায়ে গোলাপি বুট, সবুজ মাঠে এই রঙের নেপথ্যে কী কারণ?

FIFA World Cup Pink Boots | কালো অতীত! ২০২৬ বিশ্বকাপে ফুটবলারদের পায়ে গোলাপি বুট, সবুজ মাঠে এই রঙের নেপথ্যে কী কারণ?

খেলাধুলা/SPORTS
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ একটা সময় ছিল যখন ফুটবল বুট বলতেই চোখের সামনে ভেসে উঠত শুধু একটাই ক্লাসিক রং— কালো। তবে গত ২৫ বছরে সেই চেনা দৃশ্যে আমূল পরিবর্তন এসেছে। বিশ্বের বড় বড় স্পোর্টস ব্র্যান্ডগুলি ভিড়ের মাঝে নিজেদের আলাদা করে চেনাতে রংধনুর সব রং নিয়েই হাজির হয়েছে ফুটবলের আঙিনায়। তবে চলমান ২০২৬ বিশ্বকাপে এসে যোগ হয়েছে এক নতুন মাত্রা। এবারের বিশ্বকাপে প্রায় প্রতিটি ম্যাচেই দুই দলের খেলোয়াড়দের পায়ে দেখা যাচ্ছে উজ্জ্বল ‘গোলাপি’ রঙের বুট, যা বিশ্বকাপের ইতিহাসে এই প্রথম (FIFA World Cup Pink Boots)। কিন্তু এত রং থাকতে বিশ্বমঞ্চে হঠাৎ এই গোলাপির জয়জয়কার কেন?

বিশ্বের বুট বাজারের শীর্ষ তিন ব্র্যান্ড— নাইকি (Nike), অ্যাডিডাস (Adidas) এবং পুমা (Puma) এবারের বিশ্বকাপের জন্য একই রঙের এবং প্রায় একই ধাঁচের বুট তৈরি করেছে। আর সে কারণেই ফুটবলারদের পায়ে গোলাপির এই মেলা। কিন্তু এই তিন প্রতিদ্বন্দ্বী সংস্থা হঠাৎ একই রঙে কেন মজে গেল?

আসলে ফুটবল আর ফ্যাশন এখন একে অপরের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ২০২৪ সালে আন্তর্জাতিক ভোক্তা ট্রেন্ড পূর্বাভাসকারী প্রতিষ্ঠান ডব্লিউজিএসএন (WGSN) একটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ভবিষ্যদ্বাণী করেছিল। তারা জানিয়েছিল, ২০২৬ সালে বিশ্ব ফ্যাশন বাজারে আধিপত্য বিস্তার করবে ইলেকট্রিক ফুশিয়া’ (Electrical Fuchsia)। এটি মূলত গোলাপি ও বেগুনি রঙের মিশ্রণে তৈরি অত্যন্ত উজ্জ্বল এবং চোখধাঁধানো একটি বিশেষ রং।

সাধারণত বড় কোম্পানিগুলি যখন নতুন কোনো বুটের ডিজাইন শুরু করে, তখন তারা বাজারে আসার অন্তত দুই বছর আগে থেকেই ডব্লিউজিএসএন-এর মতো ট্রেন্ড ফোরকাস্টিং সংস্থার সঙ্গে পরামর্শ করে নেয়। কোন রং বা থিম ভবিষ্যতে গ্রাহকদের টানবে, তা মেনেই ডিজাইন চূড়ান্ত হয়। ফলস্বরূপ, ২০২৬ সালে এসে তিন প্রধান সংস্থাই এই ট্রেন্ডকে লুফে নিয়েছে।

ফ্যাশন ছাড়াও কোম্পানিগুলির গোলাপি রং বেছে নেওয়ার পেছনে একটি অত্যন্ত সহজ এবং বাস্তবিক কারণ রয়েছে। আর তা হলো মাঠের সবুজ ঘাসের সঙ্গে এই রঙের বৈপরীত্য বা কনট্রাস্ট (Distinction)

  • হাই-ডেফিনিশন ভিউ: আপনি টেলিভিশনে খেলা দেখছেন, স্টেডিয়ামে বসে দেখছেন কিংবা ফোনে স্ক্রল করছেন— সব জায়গাতেই সবুজ মাঠের ব্যাকগ্রাউন্ডে এই গোলাপি বুটটি দারুণভাবে হাইলাইট হয়।
  • ফ্লাডলাইট ও স্লো-মোশন: স্টেডিয়ামের কড়া ফ্লাডলাইটের নিচে কিংবা হাই-স্পিড ক্যামেরার স্লো-মোশন ক্লিপে যখন খেলা দেখানো হয়, তখন গোলাপি বুট পরা ফুটবলারদের পায়ের কাজ এবং বলের মুভমেন্ট স্পষ্টভাবে দর্শকদের চোখে পড়ে।

সহজ কথায়, বিপণন কৌশল এবং মাঠের ভেতরের দুর্দান্ত ভিজিবিলিটি— এই দুইয়ের যুগলবন্দিতেই ২০২৬ বিশ্বকাপের দখল নিয়েছে গোলাপি বুট।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *