নিট নিয়ে গত দেড়মাসে একের পর এক বিতর্ক হয়েছে। প্রশ্নফাঁসের জেরে পরীক্ষা বাতিল হয়। তারপর গত রবিবার দেশজুড়ে আবারও পরীক্ষায় বসেন ২২ লক্ষ পড়ুয়া। সেদিনই বিতর্কিত ঘটনাটি ঘটেছে মালদার একটি স্কুলে। জানা গিয়েছে, ঋতুস্রাব চলাকালীন পরীক্ষা দিতে গিয়েছিলেন এক ছাত্রী। কিন্তু পরীক্ষাকেন্দ্রে গিয়ে রীতিমতো ভয়াবহ অভিজ্ঞতা হল তাঁর। ওই পরিক্ষার্থী জানিয়েছেন, তাঁকে অন্তর্বাস খুলে ঋতুস্রাবের প্রমাণ দিতে হয়।
সোশাল মিডিয়ায় গোটা বিষয়টি জানিয়েছেন মালদার বিভূতিভূষণ হাই স্কুলে পরীক্ষা দিতে যাওয়া ওই ছাত্রী। তাঁকে এক মহিলা কর্মী জিজ্ঞাসা করেন, ঋতুস্রাব চলছে কিনা। উত্তরে হ্যাঁ বলতেই তাঁকে অন্তর্বাস খোলার নির্দেশ দেওয়া হয়। লজ্জায়, অপমানে কুঁকড়ে গিয়ে সেই নির্দেশ মানতে বাধ্য হন তিনি। পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর সোশাল মিডিয়ায় তিনি প্রশ্ন তোলেন, এইভাবে পরীক্ষা করার নিয়ম কি সত্যিই আছে? যদি এই নিয়ম থাকে তাহলে সেটা নিয়ে ভাবনাচিন্তা করার প্রয়োজন। কারণ এহেন আচরণ আসলে সিকিয়োরিটি চেকের নামে অসম্মান করা।
ওই পরীক্ষার্থীর পোস্টে কমেন্ট করেন বহু নেটিজেনরা। কেউ জানান, ঋতুস্রাবের প্রমাণ দেখাতে অন্তর্বাস খুলতে বাধ্য করা হয়েছিল। কেউ বলেন, হুক থাকার কারণে অন্তর্বাস ছাড়াই পরীক্ষায় বসতে হয়েছে। এমনকি পোশাকের মধ্যে হাত ঢুকিয়ে আপত্তিকরভাবে স্পর্শও করেছেন মহিলা পুলিশকর্মীরা। কেউ বা চেপে ধরেছেন গোপনাঙ্গ। এমনই নানা অসম্মানজনক অভিজ্ঞতা হয়েছে নিটের মহিলা পরীক্ষার্থীদের। কেবল চলতি বছর নয়, গত কয়েকবছর ধরেই এমনটা চলে আসছে বলে দাবি নেটিজেনদের অধিকাংশের।
সর্বশেষ খবর

