Falakata | বিনামূল্যে রোগীদের অটো পরিষেবা, ফালাকাটার পুলিশকর্মীর মানবিক উদ্যোগ

Falakata | বিনামূল্যে রোগীদের অটো পরিষেবা, ফালাকাটার পুলিশকর্মীর মানবিক উদ্যোগ

আন্তর্জাতিক INTERNATIONAL
Spread the love


ভাস্কর শর্মা, ফালাকাটা: পেশায় তিনি পুলিশ, তবে নেশায় সমাজকর্মী।  রাতেরবেলা কাউকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে কিংবা কারও ওষুধ প্রয়োজন হলে ফালাকাটা থানার (Falakata) এএসআই দিলীপ সরকার সবার আগে এগিয়ে আসেন। সামাজিক কাজ করে ইতিমধ্যেই অনেক প্রশংসা কুড়িয়েছেন। এবার তিনি রোগীদের রাত্রিকালীন পরিষেবা দিতে তিনটি অটো ও একটি টোটো চালু করলেন। একেবারে বিনামূল্যে এই অটো ও টোটো রোগীদের বাড়ি থেকে হাসপাতালে পৌঁছে দেবে। একজন পুলিশকর্মীর এমন মানবিক উদ্যোগে খুশি স্থানীয় বাসিন্দারা। ফালাকাটা পুরসভার চেয়ারম্যান অভিজিৎ রায় বলেন, ‘শুনেছি শহরের কোনও বাসিন্দা অসুস্থ হলে তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে একটি টোটো চালু হয়েছে। পুলিশের চাকরির ব্যস্ততার মধ্যেও দিলীপ যেভাবে সামাজিক কাজ করছেন তা সত্যিই প্রশংসনীয়।’

শনিবার ফালাকাটার সাইনবোর্ড এলাকায় একটি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে রোগীদের জন্য বিনামূল্যে অটো ও টোটো পরিষেবা চালু হয়। তিনটি অটো ফালাকাটার গ্রামীণ এলাকায় ও একটি টোটো ফালাকাটা শহরে পরিষেবা  দেবে। এর মধ্যে একটি ফালাকাটা-২ গ্রাম পঞ্চায়েত, একটি জটেশ্বর ও অপর একটি অটো শালকুমার গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকা থেকে রোগী নিয়ে হাসপাতালে যাবে। টোটোটি ফালাকাটা পুরসভা এলাকায় পরিষেবা দেবে। রাত ১০টা থেকে ভোর পাঁচটা পর্যন্ত এই পরিষেবা চলবে। অটো ও টোটোতো চালকের নাম, মোবাইল নম্বর এবং কোন এলাকায় পরিষেবা দেবে তার উল্লেখ রয়েছে। পাশাপাশি ওই সব এলাকায় নির্দিষ্ট অটোচালকের নম্বর ছড়িয়ে দেওয়া হবে। রাতে কোনও রোগীর হাসপাতালে যাওয়ার প্রয়োজন হলে অটোচালককে ফোন করলেই তিনি পৌঁছে যাবেন। এমনকি কোন এলাকা থেকে কে হাসপাতালে এলেন তার খবর দিলীপের কাছে পাঠানো হবে। সেই হিসেবে নিজের বেতন থেকে তিনি গাড়িভাড়া মিটিয়ে দেবেন। দিলীপের কথায়, ‘রাতে ডিউটির সময় দেখি অনেক রোগী হাসপাতালে যেতে  সমস্যায় পড়েন। তাঁদের সুবিধার জন্যই  ব্যক্তিগত  উদ্যোগে অটো ও টোটো পরিষেবা শুরু করেছি। মানুষের পাশে দাঁড়াতেই এই উদ্যোগ।’

দিলীপের কাজে খুশি অটোচালকরাও। অটোচালক গৌড় শীলের বক্রব্য, ‘দিলীপ স্যর বিভিন্ন সামাজিক কাজ করেন। তিনি আমাকে রাতে রোগীদের জন্য পরিষেবা দেওয়ার কথা বলেন। আমি তাতে রাজি হয়ে এদিন থেকে পরিষেবা দেওয়া শুরু করেছি।  রোগীদের সুবিধার্থে কাজ করতে পেরে ভালো লাগছে।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *